মীর আলেয়া পারভীন, ঘাটাইল: টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে বিএনপি নেতার বহিঃস্কার আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে উপজেলা বিএনপি ও এলাকাবাসি।
সোমবার (১৮ নভেম্বর) বিকালে উপজেলার টাংগাইল ময়মনসিংহ মহাসড়কে টি-জংশন মোড়ে এই বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
জানা যায়, গত ১৬নভেম্বর জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন ও সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবালের যৌথ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক ও বার বার নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান আ,খ,ম রেজাউল করিমকে দলের সিনিয়র নেতাদের সম্পর্কে অশালিন বক্তব্য প্রদানের দায়ে দলের প্রাথমিক সদস্য পদ সহ সকল প্রকার কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়। বিএনপির এই নেতার বহিস্কারের প্রতিবাদে ও তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ তদন্ত করে তার নিজ পদে পুনঃবহালের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
এ সময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম দুলাল, উপজেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক মোহাম্মদ খুররম মাসুদ সিদ্দিকী, উপজেলা যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও সদস্য সচিব মোস্তাক আহমেদ সাগর, উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্মসাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান শাহীন, উপজেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক হাসানুজ্জামান তরুণ, উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক ইয়াসির আরাফাত শাওন, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ আফজাল হোসেন, উপজেলা বিএনপি'র সাবেক সম্মানিত সদস্য হবিবুর রহমান হবি, ২ নং ঘাটাইল সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি শফিকুর রহমান বাবুল, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম খান, ইউপি সদস্য মোঃ হালিম মিয়া, যুবনেতা খোকন সহ উপজেলা ও ইউনিয়নের যুবদল ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ।
এ সময় বক্তারা বলেন, রেজাউল করিম ২নং ঘাটাইল ইউনিয়ন পরিষদের বার বার নির্বাচিত সফল একজন জনপ্রিয় চেয়ারম্যান ছিলেন। তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে।
তিনি আওয়ামীলীগ সরকারের সময়ে কারা নির্যাতিত একজন নেতা। তাই তার পদে তাকে পুনঃবহালের দাবিতে আমরা রাজপথে নেমেছি। রেজাউল করিমককে অন্যায় ভাবে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তিনি বিগত দিন গুলোতে দলের সকল কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত ছিলেন এবং বহুবার জেল খেটেছি। অনে নির্যাতন বিগত দিনগুলোতে সহ্য করেছেন। দলের হাই কমান্ডের প্রতি তাদের আহ্বান এলাকায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে তার প্রতি সুবিচার করা উচিৎ। তিনি জাতীয়তাবাদী আদর্শে সারা জীবন নিজেকে পরিচালিত করেছে। নিজের জীবন বাজি রেখে দলের দূঃসময়ে নেতাকর্মীদের আগলে রেখেছে, জেল জুলুম হুলিয়া সহ্য করেছে। নিজের সম্পদ বিক্রি করে দলের পেছনে খরচ করেছে। কাজেই বহিঃস্কার করে দলের ভেতরে ও বাহিরে প্রকাশ্য গ্রুপিং তৈরি হউক এটা কোন ভাবেই কাম্য নয় বলে নেতারা বক্তব্য উল্লেখ করেন।