

মোঃ পাপেল মিয়া, জেলা প্রতিনিধি (গাজীপুর): গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) টঙ্গী পশ্চিম থানা এলাকায় এক কিশোরী গণধর্ষণের শিকার হওয়ার অভিযোগ পাওয়ার মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যে তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহার ও দ্রুত অভিযানের মাধ্যমে আসামিদের আইনের আওতায় আনা হয়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম প্রায় এক মাস আগে ঢাকার মিরপুর-১ এলাকায় তার বাবার বাসায় বেড়াতে আসেন। সেখানে প্রতিবেশী তামিম খান (২০) এর সঙ্গে তার পরিচয় এবং প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে গত ২৪ মার্চ রাত ১০টার দিকে তামিম ওই কিশোরীকে টঙ্গী পশ্চিম থানার বড়দেওড়া শিংবাড়ী এলাকায় তার চাচার বাসায় নিয়ে আসে।
গত ২৫/০৩/২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ৩টা ১০ মিনিটে অভিযুক্ত তামিম এবং তার অপর দুই সহযোগী ভিকটিমকে একটি কক্ষে আটকে ফেলে। রাত প্রায় ৪টা ৫ মিনিট পর্যন্ত তারা পর্যায়ক্রমে ভিকটিমকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে এবং তাকে ওই কক্ষে রেখেই পালিয়ে যায়।
ধর্ষণের শিকার কিশোরী জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দিলে টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে। ভিকটিমের অভিযোগের ভিত্তিতে টঙ্গী পশ্চিম থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আরিফুর রহমান দ্রুত মামলা রুজু করেন। এরপর পুলিশের একটি চৌকস দল তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে মাত্র ১ ঘণ্টার মধ্যে ৩ জন আসামীকেই গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
১. মোঃ জামান মন্ডল (৩০), পিতা-মৃত রজব আলী, সাং-কাশিমপুর, মুক্তাগাছা, ময়মনসিংহ। ২. মোঃ হাবিবুল্লাহ (২৪), পিতা-মৃত সুলতান মাহমুদ, সাং-হলুদীবাটা, ঝিনাইগাতী, শেরপুর। ৩. তামিম খান (২০) (ভিকটিমের প্রেমিক), পিতা-মৃত হিরো খান, সাং-যাত্রাবাড়ী, মুকসুদপুর, গোপালগঞ্জ।
টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। পুলিশের এই দ্রুত পদক্ষেপে স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।




