

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত বিশিষ্ট সাংবাদিক ও লেখক বাবলু রহমানের ডান কাঁধ সংলগ্ন হাতের ভাঙ্গা জয়েন্ট এখনো ঠিক হয়নি। ভাঙ্গা জয়েন্টের অসহ্য যন্ত্রণা আর ব্যথায় তিনি ডান হাত স্বাভাবিকভাবে নড়াচড়া বা কম্পিউটারে পেশাগত লেখালেখির কাজ করতে পারেন না।
তিনি গত সাড়ে চার দশক যাবত রাজধানীতে দৈনিক গণকন্ঠ, ইনকিলাব, যায় যায় দিন, ভোরের কাগজ, চ্যানেল আই-সহ বিভিন্ন মিডিয়ায় সিনিয়র সাংবাদিক হিসেবে কর্মরত। এছাড়া ডিইউজে, বিএফইউজে, ঢাকা সাব এডিটরস কাউন্সিল এবং প্রবীণ ও কর্মাহত সাংবাদিক পরিষদের সক্রীয় সদস্য।
উল্লেখ্য, গত বছরের (২০২৫) ১১ ডিসেম্বর বেলা ২টার দিকে রিকশা চড়ে এয়ারপোর্ট রেল স্টেশনে যাওয়ার সময় স্টেশনের আগে উত্তর দিকের সিএনজি পাম্পের সামনে তিনি দুর্ঘটনা কবলিত হন। সে সময় সিএনজি পাম্পে তেল নেওয়ার জন্য পূর্ব দিকের মেইন রোডের অর্ধেক বিভিন্ন গাড়ীর দখলে ছিল। রোডের বাকি অর্ধেক জায়গা দিয়ে দক্ষিণমুখি চলন্ত বিভিন্ন ছোটবড় গাড়িসহ রিকশা খুব ঝুঁকি নিয়ে চলছিল। একই সময় পিছন দিক থেকে একটা সিএনজি অটোরিকশার আঘাতে পা-চালিত রিকশাটি ছিটকে দুর্ঘটনার সৃষ্টি হয়।
রিকশা আরোহী সাংবাদিক মেইন রোডের ওপর মুখ ও মাথা থুবড়ে পড়ে যান, তখন ডান কাঁধ থেকে হাতের জয়েন্ট সম্পূর্ণ আলাদা হয়ে ঝুলতে থাকে। তেল পাম্পের লোকজন দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিকে পাম্পে কিছুক্ষণ বিশ্রামে রেখে আরেকটা সিএনজিযোগে তাঁর উত্তরখান ফজিরবাতান ক্যাপিটাল হাউজিং-এ অবস্থিত বাড়ীতে পাঠিয়ে দেন। বিকাল চারটার দিকে উত্তরা ক্রিসেন্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে।
ঐদিন রাতে হসপিটালের এসিসট্যান্ট প্রফেসর ড. মাহমুদুল হাসানের তত্ত্বাবধানে ডান কাঁধ বরাবর হাতের জয়েন্টে অপারেশন, প্লাস্টার ও ব্যান্ডেজ করা হয়। গত পাঁচ মাসের প্রথম তিন মাস তার অধীনে নিয়মিত চিকিৎসা ও পরামর্শ অনুযায়ী ব্যায়াম-থেরাপি করা হয়। এছাড়া আগের মতো ওষুধপথ্য চলমান রয়েছে। কিন্তু অসহ্য যন্ত্রণায় তিনি ডান হাতটি এখনো পর্যন্ত স্বাভাবিকভাবে নড়াচড়া বা কম্পিউটারে পেশাগত লেখালেখির কাজ করতে পারেন না।




