

এমন দেশটি খুঁজে পাবে নাকো কোথাও, এমনই এক আজব দেশে বাস করি আমরা, যেখানে আমাদের কোমলমতি শিশুদের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে চলছে রিতিমত ছিনিবিনি খেলা। অথচ শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড।এমনকি মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিক ডিগ্রী সকল স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য নেই সুশিক্ষার ব্যবস্থা। এরই অংশ হিসেবে আজ দ্বিপজেলা ভোলার দৌলতখানের দুটি প্রাথমিক বিদ্যালয়’র কথা তুলে ধরছি। হাজীপুর ইউনিয়নের অন্তর্গত চরাঞ্চলে অবস্থিত দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নদী ভাঙ্গনের কবলে পড়ে তাদের স্থায়ী ঠিকানা বা ভূমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায় প্রায় দুই বছর আগে। এরপর থেকে উক্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য স্থায়ী বা অস্থায়ী কোনো জায়গায় জমি নিয়ে প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার জন্য কোন ব্যাবস্থা নেয়া হয়নি। অথচ উক্ত বিদ্যালয় দুটিতে নয় জন শিক্ষক ও দুইজন পিয়ন কর্মরত আছেন, শুধুমাত্র একজন শিক্ষক অন্য স্কুলে ডেপুটেশনে আছেন। আল্লাহর রহমতে রাজনৈতিক ও উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের ইচ্ছায় তাদের সকলের বেতন-ভাতা সহ স্কুলের অন্যান্য সুবিধাদি চলমান আছে।
এই বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার’র কাছে জানতে চাইলে ওনারা সাংবাদিকদের জানান, আমরা চেষ্টা করছি অতিদ্রুত তাদেরকে ইউনিয়ন পরিষদ ও ভূমি অফিসের মাধ্যমে জায়গা বরাদ্দ দেয়ার জন্য। এরপর ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা। জায়গা বরাদ্দ ও ভবন নির্মাণের জন্য কতটুকু সময় লাগবে আর ততোদিন শিক্ষকরা কি করবেন এ প্রশ্নের কোনো সুনির্দিষ্ট উত্তর পাওয়া যায় নি।
এই উদাসীনতা অবস্থার পরিবর্তন চেয়ে সু-সাশনের জন্য নাগরিক সুজন’র দৌলতখান উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ মাহমুদ সাংবাদিকদের বলেন, এখন সময় এসেছে দেশের দূর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার, বৈষম্য বিরোধী দেশ বিনির্মাণ করার। তাই তিনি যথাযথ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সদয় দৃষ্টি আকর্ষন ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার জন্য আহ্বান করেন এবং অচিরেই দৌলতখানের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে সুজন’র পক্ষ থেকে কিছু পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন, যা ইতিমধ্যেই তাদের সভায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।




