1. admin@prothombela.com : দৈনিক প্রথমবেলা : দৈনিক প্রথমবেলা
  2. alhajshahalam99@gmail.com : দৈনিক প্রথমবেলা সত্যে অবিচল দৈনিক : দৈনিক প্রথমবেলা সত্যে অবিচল দৈনিক
শিরোনাম :
নওগাঁ টিটিসিতে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা দেশকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করে- খাদ্যমন্ত্রী ভালুকায় শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত- মহান মুক্তিযুদ্ধের বিজয়কে ত্বরান্বিত করেছেন শিল্পী সমাজ – খাদ্যমন্ত্রী ঝিনাইগাতী ইউএনওর মোবাইল নম্বর ক্লোন করে চাঁদা দাবি সাভার পৌর ৮নং ওয়ার্ড কৃষক লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত ধান ক্ষেত থেকে অজ্ঞাত বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার সৈয়দপুরে শেখ হাসিনার উন্নয়ন কর্মকান্ড জনসম্মুখে তুলে ধরা ও যুদ্ধাপরাধীদের নতুন চক্রান্তের প্রতিবাদে স্থানীয় আ’লীগের জনসভা নওগাঁ রাণীনগরে তাল বীজ রোপণের উদ্বোধন দরিদ্র মানুষের সামাজিক নিরাপত্তা বেড়েছে: খাদ্যমন্ত্রী ভালুকায় জনগণ ও শ্রমিকের কষ্ট লাগবে রাস্তা সংস্কারের উদ্বোধন

প্রবাসী স্বামী জানতেন না স্ত্রীর দ্বিতীয় বিয়ের কথা,

  • আপডেট টাইম: বুধবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৫৫ বার দেখা হয়েছে

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বৈডাঙ্গা গ্রামের প্রবাসী কবির। ১৫ বছর ধরে বিদেশ থেকে টাকা পাঠিয়েছেন স্ত্রী তহুরার (৫৫) কাছে। কিন্তু স্বামী বিদেশ থাকার সুযোগে ৬ বছর আগে বিয়ে করেন আরেকজনকে। বিষয়টি প্রবাসী স্বামীকে না জানিয়ে তার পাঠানো টাকা এতদিন ভোগ করার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

জানা যায়, কবির প্রবাসে থাকার সময় একই গ্রামের সিরাজুল ইসলাম শিরনের (৬০) সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে তহুরার। গোপনে তারা বিয়ে করে। বিয়ের পর বিদেশ থেকে স্বামী কবিরের পাঠানো টাকা ও স্বর্ণালংকার কৌশলে হাতিয়ে নিতে থাকে স্ত্রী তহুরা ও তার পরের স্বামী শিরন।

কবির দেশে ফিরেও জানতে পারে না স্ত্রীর এসব অপকর্ম। একপর্যায়ে জানাজানি হয় শিরনের সঙ্গে নিজ স্ত্রীর বিয়ে ও দৌহিক সম্পর্কের কথা। এ সময় শিরন জানায়, দীর্ঘ ৬ বছর আগে গোপনে তাদের বিয়ে হয়েছে। তারা বৈধ স্বামী-স্ত্রী। স্ত্রী তহুরার এই কথা শোনার পর হতবাক কবির। এখন বিচারের আশায় মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন তিনি।

কবির ২০১৮ সালে দেশে ফিরে এলেও স্ত্রী তহুরা তার সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্ক বজায় রেখে চলে। এক সঙ্গে দুই স্বামীর ঘর করতে থাকে তহুরা। গত ১৫ ডিসেম্বর শিরনের সাথে তহুরার দৈহিক সম্পর্কের কথা জানাজানি হলে তারা প্রকাশ্যে ঘোষণা দেয় দুজনে ২০১৫ সালে গোপনে বিয়ে করেছেন।

শিরন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, তহুরাকে আমি ভাল বাসতাম। এজন্য সমাজের সবাই তাকে নির্যাতন করতো, নানা কথা বলতো। তাই আমি তাকে বিয়ে করেছি।

তহুরা বেগম বলেন, যা শুনেছেন সবই সত্য। আমরা দুজন দুজনকে ভালোবেসে বিয়ে করেছি।

ভুক্তভোগী কবির হোসেন বলেন, ২০ বছরের সংসারী জীবনে আমার তিনটি মেয়ে সন্তান আছে। ১৫ বছর বিদেশ খেটে টাকা দিয়েছি। ৬ বছর আগে অন্যের সাথে বিয়ে করেও আমার ঘরে আছে। আমার অর্থ-সম্পদ সব লুটে নিয়ে গেছে। আমি এখন সমাজে বের হতে পারি না। আমার সবকিছু শেষ।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
প্রকাশক কর্তৃক স্যানমিক প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড, সুত্রাপুর, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ প্রথমবেলা
Site Customized By Rahatit.Com