1. admin@prothombela.com : দৈনিক প্রথমবেলা : দৈনিক প্রথমবেলা
  2. adrianne-vaux@shownewshd.ru : adriannevaux845 :
  3. vanya.sergeesergeev@yandex.ru : Antonylitle :
  4. 65@sondat.com.vn : claudejnj9 :
  5. pravoslvera@rambler.ru : Peterrob :
  6. alhajshahalam99@gmail.com : দৈনিক প্রথমবেলা সত্যে অবিচল দৈনিক : দৈনিক প্রথমবেলা সত্যে অবিচল দৈনিক
  7. selainequinnanai@gmail.com : SamuelVaf : SamuelVafCO SamuelVafCO
  8. viola-chance@shownewshd.ru : violachance8337 :
শিরোনাম :
এমপি শেখ সোহেল ও তার সহধর্মিণীর রোগমুক্তি কামনায় পাইকগাছায় বিভিন্ন মসজিদে এমপি বাবু’র পক্ষ থেকে দোয়া প্রার্থনা সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জে নৌকাসহ ২৫০ কেজি কাঁকড়া জব্দ সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির উদ্যোগে করোনা হেল্প সেন্টারের উদ্বোধন খুলনার ঐতিহ্যবাহী বিএল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সাবেক শিক্ষকের মৃত্যু নাঙ্গলকোট প্রেসক্লাবের উদ্যোগে সহাকারী কমিশনারকে (ভূমি) বিদায় সংবর্ধনা আমবাড়ী হাটে  গরু বহনকারী পিকআপ ভ্যানের সাথে শ্যামলী  কোচের ধাক্কা, গরু ও মানুষ আহত  “বাহাদুর” খুলনাঞ্চলের বৃহত্বম গরু; দাম হেকেছেন ২০ লাখ টাকা দিঘলিয়ায় পুলিশের অভিযানেও মাদক সম্রাটরা থাকছে ধরাছোঁয়ার বাইরে  বছরের শুরুতে কাঁচাপাটের বাজার নিয়ে ষড়যন্ত্র ,পাটের বাজারে হঠাৎ ধস ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের পক্ষে হত দরিদ্রের মাঝে খাদ্য বিতরণ করেন  হাবিব হাসান (এমপি)

সুন্দরী রমণী কুইন নেহা নামেও তার চক্র! ডিজে নেহা

  • আপডেট টাইম: সোমবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২১
  • ৫৭ বার দেখা হয়েছে

নাম তার ফারজানা জামান নেহা ওরফে ডিজে নেহা। এই সুন্দরী রমণী কুইন নেহা নামেও তার চক্রে পরিচিত। রাতে তার পরনে থাকে প্রায় অর্ধ উলঙ্গ ওয়েস্টার্ন ড্রেস। চালচলনে বিকৃত রকমের আভিজাত্যের ছাপ। দিনে ঘুম, রাতে ডিজে ও মদের পার্টিতে অশ্লীল রকমের নাচ। লাল-নীল আলো আঁধারে ঠোঁটে শিশার পাইপ দিয়ে স্লো মোশনে ধোঁয়া ছাড়া যার নেশা। কখনওবা হাতে দামি বিদেশি মদের বোতল নিয়ে চুমো দেয়া তার ফ্যাশন। নামি-দামি ব্রান্ডের গাড়ি নিয়ে ঘুরে বেড়ানো এই রমণী বাগে আনা ধনী পরিবারের তরুণ-তরুণীদের দিয়ে করান রমরমা দেহ ব্যবসা। এক কথায় ওয়েস্টার্ণ ধাঁচে চলাফেরা করা রূপের ঝলক দেখানো ডিজে নেহা নানান কুকর্ম ও অশ্লীলতার মধ্যেই ডুবে ছিলো।

একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীকে অতিরিক্ত মদপান করিয়ে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার হন ফারজানা জামান নেহা ওরফে ডিজে নেহা। মৃত ছাত্রীর বাবার দায়ের করা মামলায় অন্যতম আসামি এই নেহা। গ্রেফতারের পর মামলা সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে ৫ দিনের পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।

রবিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রিমান্ডের তৃতীয় দিনে ডিজে নেহার ফোনবুকে পুলিশ ঢাকা-চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের ডজনখানেক শিল্পপতি ও ব্যবসায়ীর নাম্বার পেয়েছে। যেগুলো সাংকেতিকভাবে সংরক্ষণ করা। এসব ধনাঢ্যদের অনেকের কাছে মদ, তরুণী সরবরাহ করতেন তিনি। কখনও কখনও নেহা নিজেই তাদের সঙ্গ দিয়েছেন। বিনিময়ে তাদের কাছ থেকে হাতিয়েছেন মোটা অঙ্কের টাকা।

তদন্তসংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, ডিজে নেহার পছন্দের মোবাইল ফোনে (আইফোন) টার্গেট করা ব্যবসায়ী ও ধনী যুবকদের নম্বর ‘ক্লায়েন্ট-১’,‘ক্লায়েন্ট-২’,‘ক্লায়েন্ট-৩’ এমন ধারাবাহিকভাবেই সংরক্ষণ করা আছে। কারও কারও নাম সংক্ষেপে প্রথম বর্ণ দিয়েও সংরক্ষণ করা।

জিজ্ঞাসাবাদে নেহা জানিয়েছেন, গত বছরের মার্চে চট্টগ্রামের এক গাড়ি ব্যবসায়ীর সঙ্গে একটি পার্টিতে তার পরিচয় হয়। এরপর ওই ব্যবসায়ীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে কৌশলে ৬ মাসে কয়েক লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন নেহা। এরই মধ্যে ওই গাড়ি ব্যবসায়ীর এক ফেসবুক বন্ধুর সঙ্গেও পরিচয় হয় নেহার। সেপ্টেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত নেহা ঢাকার ওই গাড়ি ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ১৫ লাখ টাকার বেশি হাতিয়েছেন। নেহার ব্যবহৃত ১ লাখ ৩৭ হাজার টাকা দামের আইফোন টুয়েলভ প্রো ম্যাক্স ওই ব্যবসায়ীর কাছ থেকেই নেয়া। এভাবেই আরো অনেক ব্যবসায়ীকে মাদক ও নারী সঙ্গের জালে জড়িয়েছিলেন নেহা। নেহার এসব কাজে সহযোগিতা করতেন তারই চাচাতো ভাই শাফায়াত জামিল বিশাল। বিশাল সার্বক্ষণিক নেহার সঙ্গেই থাকতেন।

২৮ জানুয়ারি উত্তরার ব্যাম্বু স্যুট রেস্টুরেন্টে ইউল্যাব শিক্ষার্থীদের মদপান করাতে নেহা ও তার খুব কাছের বন্ধু আরাফাত পার্টির আয়োজন করেন। মদপানের পর অসুস্থ হয়ে আরাফাতও মারা গেছেন। সেদিন নেহার ফোনেই তার চাচাতো ভাই শাফায়াত জামিল ওরফে বিশাল এয়ারপোর্ট এলাকা থেকে মদ কিনে নিয়ে যায় ওই রেস্টুরেন্টে।

নেহা পুলিশকে জানিয়েছেন, খদ্দেরদের তালিকা সংরক্ষণ করতেন বিশাল। এছাড়াও অবৈধ দরদামে সে মধ্যস্থতাকারী হিসাবে দায়িত্ব পালন করতেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মাধুরীর মৃত্যুর পর তার বাবার মামলায় অজ্ঞাত আসামি হিসাবে নিজেই আদালতে গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন বিশাল। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠিয়ে দেন। এছাড়া ওই ছাত্রীর ছেলে বন্ধু আরিফ এবং তাদের বাসায় আশ্রয়দাতা তাফসিরও কারাগারে আটক রয়েছেন।

পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের ডিসি হারুন অর রশিদ বলেছেন, নেহাকে জিজ্ঞাসাবাদে আমরা অনেক তথ্য পেয়েছি। এসব যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

এর আগে গত ৫ ফেব্রুয়ারি নেহা আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে বলেছেন, গত ২৮ জানুয়ারি আমার বন্ধু আরাফাতের নিমন্ত্রণে উত্তরার ব্যাম্বুসুট রেস্টুরেন্টে যাই। সেখানে গিয়ে আরো কয়েকজনকে দেখতে পাই। আমি আরাফাত ছাড়া অন্য কাউকে চিনতে পারিনি। সেখানে আমি মদপান করি। ৩ পেগ পান করার পর আমার মুখ দিয়ে রক্ত বের হয় এবং বমিও হয়। আমি তখন সেখান থেকে বাসায় চলে যাই। বাসায় যাওয়ার পরও আমার কয়েক দফা বমি হয়। এমন পরিস্থিতিতে আমি হাসপাতালে চিকিৎসা নেই।

ওই ছাত্রী মারা যাওয়ার ঘটনায় করা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার সব আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সব ফরেনসিক রিপোর্ট পেলে পুলিশ মামলার চার্জশিট জমা দেবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
প্রকাশক কর্তৃক স্যানমিক প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড, সুত্রাপুর, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ প্রথমবেলা
Site Customized By Rahatit.Com