1. admin@prothombela.com : দৈনিক প্রথমবেলা : দৈনিক প্রথমবেলা
  2. alhajshahalam99@gmail.com : দৈনিক প্রথমবেলা সত্যে অবিচল দৈনিক : দৈনিক প্রথমবেলা সত্যে অবিচল দৈনিক
শিরোনাম :
নওগাঁ টিটিসিতে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা দেশকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করে- খাদ্যমন্ত্রী ভালুকায় শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত- মহান মুক্তিযুদ্ধের বিজয়কে ত্বরান্বিত করেছেন শিল্পী সমাজ – খাদ্যমন্ত্রী ঝিনাইগাতী ইউএনওর মোবাইল নম্বর ক্লোন করে চাঁদা দাবি সাভার পৌর ৮নং ওয়ার্ড কৃষক লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত ধান ক্ষেত থেকে অজ্ঞাত বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার সৈয়দপুরে শেখ হাসিনার উন্নয়ন কর্মকান্ড জনসম্মুখে তুলে ধরা ও যুদ্ধাপরাধীদের নতুন চক্রান্তের প্রতিবাদে স্থানীয় আ’লীগের জনসভা নওগাঁ রাণীনগরে তাল বীজ রোপণের উদ্বোধন দরিদ্র মানুষের সামাজিক নিরাপত্তা বেড়েছে: খাদ্যমন্ত্রী ভালুকায় জনগণ ও শ্রমিকের কষ্ট লাগবে রাস্তা সংস্কারের উদ্বোধন

দিঘলিয়ায় পুলিশের অভিযানেও মাদক সম্রাটরা থাকছে ধরাছোঁয়ার বাইরে 

  • আপডেট টাইম: শুক্রবার, ১৬ জুলাই, ২০২১
  • ৮৫ বার দেখা হয়েছে
সৈয়দ জাহিদুজ্জামান দিঘলিয়া : দিঘলিয়া উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে নানা রকম নেশা দ্রব্যের অবাধ আমদানি ও নির্বিঘ্নে কেনাবেচা চলছে।জনপদের যুবসমাজ এসব নেশার চক্রে পড়ে ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে। এলাকায় এদের দ্বারা আইন শৃংখলার অবনতি ঘটছে। অভিভাবকমহল উদ্বিগ্ন ও ক্ষুব্ধ। এদের পৃষ্টপোষক ও মাদক সম্রাটরা এতই চতুর যে আইন প্রয়োগকারী সকল সংস্থার সদস্যরা এলাকায় গাড়ি নিয়ে ঢোকার আগেই এদের আখড়ায় খবর পৌঁছে যায়। কারণ এদের চার দিকে থাকে মোবাইল গ্রুপ। যে কারণে আসল মাদক সম্রাটরা থাকছে আমদানিকৃত মালামাল সহ নিরাপদ অবস্থানে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়,দিঘলিয়া উপজেলার ফরমাইখানা,দেয়াড়া কলোনী,দেয়াড়া পূর্বপাড়া,দেয়াড়া জ্ঞানীর মোড় ও দেয়াড়া খেয়াঘাট ও দেয়াড়া কোহিনুর মাঠ এলাকা,সেনহাটির ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড এলাকা,চন্দনীমহল ভোগদিয়া,সুগন্ধী, ব্রহ্মগাতি, বারাকপুর, লাখোহাটী,পানিগাতী, দিঘলিয়া মহেশ্বরপুর, আড়ুয়া, নন্দনপ্রতাপ,মাধবপুর,গাজীরহাটসহ বিভিন্ন গ্রামের প্রত্যন্তাঞ্চলে গাজা,ইয়াবা, মদসহ নানা ধরনের নেশা দ্রব্যের অবাধ আমদানি ও কেনা-বেচা চলছে। পুলিশের চোখ এড়িয়ে এরা মুদী দোকানে নিত্য পণ্যের  ন্যায় হোম ডেলিভারিতে নেশা দ্রব্যের আমদানি ও বেচাকেনা চলছে মোবাইলে যোগাযোগের মাধ্যমে। বাড়ি বাড়ি দোকানে দোকানে নেশা দ্রব্য পৌঁছে দিচ্ছে নেশা বিক্রেতারা। এমনকি লোকজন এসে বাড়ি থেকে নিয়ে যাচ্ছে। কঠোর লকডাউনেও এসব নেশা দ্রব্যের আমদানি ও বেচাকেনা থামেনি। বরং বেড়েছে বহুগুণ। প্রতিমাসে লাখ লাখ টাকার গাজা আমদানি ও বেচাকেনা চলছে। দেয়াড়া কলোনী বর্তমানে নেশা দ্রব্যের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। এদের ব্যবসায়িক বাধা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কথিত সোর্স খলিলুর রহমানকে হত্যার পর মাদক ও জুয়া খেলার গডফাদাররা দেয়াড়া কলোনী এলাকায় তাদের অবৈধ কর্মকান্ডের অভয়ারণ্য হিসেবে গড়ে তোলার ব্যাপারে অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।এলাকায় পুলিশ এলে মোবাইল টীমের মাধ্যমে খবর পৌঁছে যায় বলে বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায়। পুলিশের অভিযানে সহযোগীরা ধরা পড়লেও মাদক সম্রাটরা থাকে ধরা ছোঁয়ার বাইরে। তবে কেউ কেউ বলেছে ভিন্ন কথা। এ সব নেশা দ্রব্যের ক্রেতা-বিক্রেতাদের চক্রে পড়ে আজ যুব সমাজ গোটা পরিবার তথা সমাজের জন্য হুমকির মুখে। নানা ধরনের নেশায় আসক্ত এ সব যুবকেরা পারিবারিক ও সামাজিক কোন অবরোধ মানছেনা।পরিবারে নানা বিশৃঙ্খলা, ভাংচুর ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী নানা কাজ করছে।যে কারণে অভিভাবকমহল একদিকে তাদের সন্তান নিয়ে উদ্বিগ্ন, অপর দিকে এ সব নেশা দ্রব্যের আমদানি ও অবাধে কেনা-বেচা দেখে ক্ষুব্ধ। দিঘলিয়ার ফরমাইশখানা ও দেয়াড়া গ্রামের কয়েকজন নেশায় আসক্ত যুবকের মায়ের সাথে আলাপ করে জানা যায়,এসব নেশা দ্রব্য যারা আমদানি ও বেচাকেনা করছে তারা খুবই সংঘবদ্ধ ও এদের পিছনে পর্দার আড়ালে রয়েছে সমাজে অস্বীকৃত প্রভাবশালী মহল। এদের স্বার্থ বিরোধী ভূমিকায় যে যাবে, তারা তাদের জীবনহানী ঘটাতে পিছপা হয়না। ফরমাইশখানা মামুন হত্যা, সেনহাটি সজলের বাড়িতে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ, সুগন্ধীর শান্ত নামক যুবককে মারধর করা, সেনহাটির শান্ত নামক যুবককে কুপিয়ে ক্ষুন জখম করা, দেয়াড়া কলোনীর খলিলুর রহমান নামক (আইন প্রয়োগকারী এক সংস্থার সোর্স) ব্যক্তিকে হত্যা সহ লোমহর্ষক ঘটনা ঘটিয়েও এরা আইনের ফাঁক ফোঁকরে পার পেয়ে যাচ্ছে। জেলখানা থেকে ফিরে এসে পুনরায় সমাজে পূর্ণ প্রভাবে তাদের অবৈধ বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে।যে সব কারণে সমাজে শান্তিপ্রিয় লোকজন এদের বিরুদ্ধে কথা বলতে ভয় পায়। এদের বিরুদ্ধে কথা বললে তারা নানা ভাবে তাদের উত্তাক্ত করে এলাকা ছাড়া করার বা দুর্বল করার চেষ্টা করে। এলাকায় পুলিশ এলেও সব নেশা দ্রব্য আমদানি ও বিক্রয়ের সাথে যারা জড়িত তারা ও তাদের পৃষ্ঠপোষক মিলে নানাজনকে সন্দেহের তীর ছুড়তে আরম্ভ করে। অনেকের কাছে উল্টে ক্ষতিপূরণ ও চাঁদা দাবী করে। এদের নানা অত্যাচারে ইতোমধ্যে অনেকে এলাকা ছাড়া হয়েছে। অপর একটা সূত্র থেকে জানা যায়, এসব নেশা দ্রব্যের আমদানি ও বেচাকেনার সাথে জড়িতদের ব্যাপারে পুলিশকে জানাতে গেলে পুলিশ বলে কারা, কোথায় এবং কোন সময় বহন করে এবংকেনাবেচা করে তাদের হাতেনাতে ধরিয়ে দিতে। উক্ত সূত্র এ প্রতিবেদককে দুঃখ করে জানান, আইন প্রয়োগকারী সকল মহলের প্রচার মাধ্যমে প্রচার শুধুই লোক দেখানো। পুলিশ কি জানেনা কারা কারা,কোথায় নেশা দ্রব্যের কেনাবেচা করছে এবং কারা এদের পৃষ্ঠপোষক?  এব্যাপারে দিঘলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আহসান উল্লাহ চৌধুরী জানান, যারা নেশা দ্রব্যের আমদানি ও বেচাকেনা করছে এবং যারা এদের পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে তাদের ব্যাপারে দিঘলিয়া পুলিশ জিরো টলারেন্স। তাদের ধরার ব্যাপারে পুলিশের অভিযান অব্যহত আছে এবং থাকবে। দিঘলিয়ার বিজ্ঞ মহলের অভিমত, সমাজ তথা সমাজের যুব সমাজকে বাঁচাতে হলে নানা নেশা দ্রব্যের আমদানি ও বেচাকেনা প্রতিরোধে প্রচলিত আইনের পরিবর্তন ও কঠোর প্রয়োগ হওয়া জরুরী।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
প্রকাশক কর্তৃক স্যানমিক প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড, সুত্রাপুর, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ প্রথমবেলা
Site Customized By Rahatit.Com