সত্যে অবিচল দৈনিক প্রথমবেলা

দেশ ও দেশের মানুষের কল্যানের জন্য আমি রাজনীতি করি –রফিকুল ইসলাম হৃদয়

19

জামিলা আক্তার পারুল : বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা লীগ ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক মো: রফিকুল ইসলাম হূদয় বলেছেন,স্বাধীন বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন ও তাদের কল্যানের জন্য জনগনের পাশে থেকে সারা জীবন সততা ও নিষ্ঠার সাথে আমি জীবন বাজী রেখে কাজ করে যাবো। দেশ ও মানুষের কল্যানের জন্য আমি রাজনীতি করি।

তিনি বলেন, নিজের জীবনের বিনিময়ে হলে ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সুখ, দু:খে পাশে থেকে তাদের সেবা করতে চাই। এই হোক আমার মুজিব শতবার্ষিকীতে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ প্রত্যয়।
বুধবার দৈনিক প্রথম বেলা পত্রিকার সাথে একান্ত স্বাক্ষাতকারে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা লীগ ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক মো: রফিকুল ইসলাম হূদয় এসব কথা বলেন।

এক প্রশ্নের জবাবে রফিকুল ইসলাম হুদয় বলেন, ১৯১০সালে বাংলাদেশ আওয়ামী বাস্তহারা লীগের উত্তরা পূর্ব থানার সভাপতি, পরবর্তীতে তিনি উত্তরা পশ্চিম থানা আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা লীগের আহ্বায়ক ছিলেন। এছাড়া ঢাকা মহানগর উত্তরের সাংগঠনিক পদে থেকে সততা ও নিষ্টার সাথে দলের জন্য রাত দিন মাঠে ময়দানে কাজ করে যাচেছন।

তিনি বলেন, আমার পরিবার হল আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত একটি আদর্শ পরিবার। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণকে বুকে ধারণ-লালন করে এবং বঙ্গবন্ধুর পরিবারকে মনেপ্রাণে ভালোবেসে আজো বেঁচে আছেন।

ছাত্ররাজনীতি ও পারিবারিক জীবনের কথা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, দেশ মাতৃকার ডাকে ১৯৭১ সালে বীরমুক্তিযোদ্ধাদের আঁকরে ধরে, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা ও বাংলার সূর্য সন্তান বীরমুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন মানিক’র হাত কে আরও বেগমান এবং শক্তিশালী করবো।

মো: রফিকুল ইসলাম হূদয় ১৯৭৭ সালের ৩১ জুলাই বর্তমানে উত্তরা ১৩ নম্বর সেক্টর রোড-১৩ বাসা-১৭, গ্রাম- সাবেক বাইলজুড়ি গ্রামে এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। ছাত্র জীবন থেকেই তিনি আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত আছেন।

বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের শাসনামলে আমার নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভায় ২১শে আগস্ট গ্রেনেট হামলা করা হয়। ওই হামলার ঘটনায় আওয়ামীলীগ নেত্রী আইভি রহমান সহ ২১জন প্রাণ হারায় এবং অসংখ্য লোক আহত হয়েছিল। ভাগ্যক্রমে আমার নেত্রী প্রাণে বেঁচে যায়।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে রফিকুল ইসলাম হূদয় বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও তার সরকার অক্লান্ত প্রচেষ্টায় দেশীয় টাকা দিয়ে দেশের সর্ববৃহৎ স্বপ্নের পদ্মাসেতু নির্মান করছেন। এটা শেখ হাসিনা সরকারের একটা বড় ধরনের অবদান। সত্যিকারে গোটা বাঙ্গালী জাতির গর্ব।
তিনি বলেন, এছাড়া বর্তমান সরকার কুড়িল ফ্লাইওভারসহ অন্যান্য ফ্লাইওভার ও মেট্রোরেল এবং দেশের বিভিন্ন জেলায় ফোর লেন রাস্তা,কালভার্ট,ব্রিজ তৈরী করছেন।

পাশাপাশি ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর তৃতীয় টার্মিনালের সার্বিক উন্নয়ন কাজ ও বেশ দ্রুত গতিতে চালিয়ে যাচেছন। অতীতে আর কোন সরকার তার করতে পারেনি। সেজন্য আমি বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ধন্যবাদ জানাচিছ।
দলীয় নেতাকর্মী,সমর্থক ও এলাকাবাসিদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধালীগ, আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ,তাঁতীলীগ ও মহিলালীগ সহ সহযোগী অংগ সংগঠনের নেতাকর্মীরা আমার সাথে আছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সহ দলীয় কর্মসূচিতে তার সুযোগ্য ও সঠিক নেতৃত্বেও কারণে আমাদের আগামী দিনের পথচলা ও অনুপ্রেরনা যোগাবে।

দেশের সকল স্তরের নেতাকর্মী ও মানুষকে এখন থেকে ঐক্যবদ্ব হয়ে দেশও দলের জন্য কাজ করতে হবে। এই হোক আমাদের আগামী দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ প্রত্যয়।

আপনাকে ও দৈনিক প্রথম বেলাকে ধন্যবাদ জানাচিছ। জয়-বাংলা, জয়-বঙ্গবন্ধু।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.