হরমুজ প্রণালীর লারাক দ্বীপে মার্কিন বিমান বাহিনীর অভিযানের জবাবে জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে ইরান। তবে জর্ডানের শক্তিশালী বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার তৎপরতায় লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার আগেই সবকটি ক্ষেপণাস্ত্র মাঝ আকাশে ধ্বংস করা হয়।
সোমবার জর্ডানের সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানানো হয়, দেশটির আকাশসীমায় মোট আটটি বিদেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রবেশ করেছিল। তবে সামরিক বা বেসামরিক কোনো লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার আগেই জর্ডানের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম সফলভাবে সেগুলোকে প্রতিহত করে।
এর আগে হরমুজ প্রণালী অঞ্চলে জলমাইন স্থাপনে ব্যবহৃত দুটি লঞ্চার ধ্বংস করতে লারাক দ্বীপে বিমান অভিযান চালায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টকম (CENTCOM)। প্রায় এক মাস পর মার্কিন বাহিনীর এই অতর্কিত হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জর্ডানের কিং হুসেইন এবং আজরাক মার্কিন বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে এই পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়।
আইআরজিসির দাবি ছিল, তাদেরিক্ষিপ্ত ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বিমানঘাঁটিগুলোর প্রযুক্তিগত ও রক্ষণাবেক্ষণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে জর্ডান সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, আকাশসীমায় প্রবেশের পরপরই সব ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে আটকে দেওয়ায় বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।