স্পেনের বিশেষায়িত নিয়মিতকরণ প্রক্রিয়ায় আবেদনকে কেন্দ্র করে রাষ্ট্রদূতকে জড়িয়ে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিমূলক দুর্নীতির প্রতিবেদন প্রকাশের অভিযোগ করেছে মাদ্রিদের বাংলাদেশ দূতাবাস।
সোমবার (৬ জুলাই) রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা প্রদান করেছে দূতাবাস।
সম্প্রতি কিছু কমিউনিটি ভিত্তিক পোর্টালে দাবি করা হয় যে, দূতাবাসের সমন্বয়হীনতার কারণে অনেক প্রবাসী অভিবাসী ৩০ জুনের মধ্যে স্পেনের বিশেষায়িত নিয়মিতকরণ প্রক্রিয়ায় আবেদন করতে পারেননি। এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন উল্লেখ করে দূতাবাস জানায়, পররাষ্ট্র, স্বরাষ্ট্র ও আইন মন্ত্রণালয়, এটুআই প্রজেক্ট এবং পুলিশ প্রশাসনের সমন্বয়ে দূতাবাস সেবাপ্রার্থীদের পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটসহ সব সেবা যথাসময়ে সম্পন্ন করেছে। পাসপোর্ট রিইস্যুর ক্ষেত্রেও আবেদনকারীদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করা হয়েছে।
দূতাবাস জানায়, এই বিশেষ প্রক্রিয়ায় প্রবাসীদের উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার বিষয়টি বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য সময়মতো পৌঁছানো হয়েছে। এছাড়াও কমিউনিটি নেতাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ এবং জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, মে মাসের ২৫ তারিখের পর কনস্যুলার সেবা নিতে আসা প্রার্থীদের মধ্যে খুব কমসংখ্যকই নিয়মিতকরণের আবেদনের জন্য এসেছিলেন।
রাষ্ট্রদূতকে লক্ষ্য করে প্রচারিত দুর্নীতির অভিযোগকে ‘দুঃখজনক ও গর্হিত’ উল্লেখ করে দূতাবাস তা প্রত্যাখ্যান করেছে। এ ধরনের বিভ্রান্তিমূলক প্রতিবেদন প্রকাশ থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্টদের আহ্বান জানানো হয়েছে।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের উন্নত মানের সেবা প্রদান এবং কনস্যুলার সেবার মান উন্নয়নে দূতাবাস সর্বদা আন্তরিক এবং ভবিষ্যতে একই নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।