রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, তরুণরাই দেশের ভবিষ্যৎ ও প্রধান চালিকাশক্তি। রাষ্ট্রের কাছে নতুন প্রজন্মের প্রত্যাশা হলো তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণ, ব্যক্তিগত সুরক্ষা এবং সামষ্টিক ভাগ্যোন্নয়নের সমান সুযোগ নিশ্চিত করা। বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম জনবহুল দেশ, যার এক-তৃতীয়াংশই তরুণ প্রজন্ম। এই বিপুল জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তর করতে পারলে তরুণদের আকাঙ্ক্ষা পূরণের পাশাপাশি একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন সফল হবে। এবারের বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের প্রতিপাদ্য—‘তারুণ্যের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রত্যয়ে সুন্দর আগামী গড়ি’ অত্যন্ত সময়োপযোগী বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক ও কর্মমুখী করার পাশাপাশি প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনে যুবসমাজকে দক্ষ করে তুলতে সরকার কারিগরি শিক্ষার ওপর বিশেষ অগ্রাধিকার দিয়েছে। এছাড়া মাদক, বাল্যবিবাহ ও সামাজিক অবক্ষয় রোধে আইনের কঠোর প্রয়োগ এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সম্প্রসারণের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, সুস্থ ও কর্মক্ষম জাতি গঠনে পরিকল্পিত পরিবার এবং নাগরিক সুস্বাস্থ্য অপরিহার্য। তরুণ প্রজন্মকে প্রকৃত মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে মা-শিশু স্বাস্থ্য, প্রজনন স্বাস্থ্য এবং বয়ঃসন্ধিকালীন স্বাস্থ্য সেবাকে আরও কার্যকর ও সর্বজনীন করার আহ্বান জানান তিনি।
সবশেষে, তারুণ্যের সামগ্রিক উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করার উদাত্ত আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।