রাজধানীতে ত্রুটিপূর্ণ, ফিটনেসবিহীন, মেয়াদোত্তীর্ণ কাগজপত্র নিয়ে চলাচলকারী এবং পরিবেশ দূষণকারী বাসের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।
বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রাথমিক ধাপে এমন ৮টি বাস শনাক্ত করে সংশ্লিষ্ট মালিকদের কারণ দর্শানোর (শো-কজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এসব বাসের রেজিস্ট্রেশন স্থগিতসহ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করেছে সংস্থাটি।
বুধবার (১ জুলাই) বিআরটিএর অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
বিআরটিএর ঢাকা মেট্রো-১, ২, ৩ ও ৪ সার্কেলের পৃথক নোটিশে জানানো হয়, রাজধানীর বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অভিযান চালিয়ে এই বাসগুলোকে আটকানো হয়।
অভিযান চালানো এলাকাগুলো যমুনা ফিউচার পার্ক , যাত্রাবাড়ী, কুড়িল ফ্লাইওভার, আব্দুল্লাহপুর, মিরপুর-১০ ও মিরপুর-১৩
চিহ্নিত ৮টি বাসের নম্বর, ঢাকা মেট্রো-ব-১৩-০৭৬৪, ঢাকা মেট্রো-ব-১৪-৫৫৩৬, ঢাকা মেট্রো-ব-১২-০৪৯৭, ঢাকা মেট্রো-ব-১৫-১৭৪৭, ঢাকা মেট্রো-ব-১৫-০৬৩০, ঢাকা মেট্রো-ব-১৫-৪২৩১, ঢাকা মেট্রো-ব-১৩-০৪০০, ঢাকা মেট্রো-ব-১১-৭০০৪
বিআরটিএ জানায়, চিহ্নিত বাসগুলো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ, ক্ষতিগ্রস্ত, রংচটা ও জরাজীর্ণ অবস্থায় সড়কে চলাচল করছিল। এর মধ্যে কয়েকটি বাস থেকে মারাত্মকভাবে কালো ধোঁয়া নির্গত হচ্ছিল এবং কয়েকটির ফিটনেস ও ট্যাক্স টোকেনের মেয়াদ অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ২৫(১) ও ২৬ ধারা অনুযায়ী ফিটনেসের অনুপযোগী, ঝুঁকিপূর্ণ কিংবা পরিবেশ দূষণকারী মোটরযান সড়কে চালানো সম্পূর্ণ নিষেধ।
এই অবস্থায় আইনটির ২৪(১) ধারা অনুযায়ী কেন বাসগুলোর রেজিস্ট্রেশন স্থগিত করা হবে না—তা জানতে চেয়ে মালিকদের লিখিত ব্যাখ্যার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে নির্ধারিত তারিখে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও বাসসহ বিআরটিএ কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়েছে। অন্যথায় চূড়ান্ত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য করুন
মন্তব্য সমূহ
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!