প্রতি বছরের ন্যায় এবারো ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষ্যে গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র হেডকোয়ার্টার্সে মাসব্যাপী নানা আয়োজনে বর্ণাঢ্য র্যালি ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি চলছে। ওয়ালটনের এনভায়রনমেন্ট, হেল্থ অ্যান্ড সেইফটি (ইএইচএস) বিভাগের উদ্যোগে এই পরিবেশবান্ধব কর্মসূচি পালিত হচ্ছে।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে রোববার (৭ জুন) ‘জলবায়ু পরিবর্তন: আজকের পদক্ষেপ, আগামীর নিরাপত্তা’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বৃক্ষরোপণ, বর্ণাঢ্য র্যালি, আইডিয়া শেয়ারিং ও আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এদিন সকালে ফলজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়।
জানা গেছে, ইএইচএস বিভাগের উদ্যোগে চলতি বছরের ১৯ মে থেকে ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্সে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন কার্যক্রম শুরু হয়, যা মাসব্যাপী চলবে। এর অংশ হিসেবে ৭ জুন স্থানীয় বিশাইদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কমিউনিটি অ্যাওয়ারনেস প্রোগ্রাম, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং পরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন ও জীববৈচিত্র্য বিষয়ের ওপর বিশেষ কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
পাশাপাশি ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্সের আশেপাশের এলাকা থেকে প্লাস্টিক কালেকশন ও রিসাইকেলিং করা হয় এবং স্থানীয়দের সঙ্গে পরিবেশ সংরক্ষণ ও প্লাস্টিক দূষণ রোধে সচেতনতামূলক আলোচনা করা হয়। এই সময় আয়োজিত বর্ণাঢ্য র্যালিতে ব্যানার, ফেস্টুন এবং পরিবেশবান্ধব গান সংবলিত প্ল্যাকার্ড হাতে ওয়ালটন পরিবারের সদস্যগণ অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে ওয়ালটন হাই-টেকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর ইউসুফ আলী জানান:
"ওয়ালটন কেবল প্রযুক্তি পণ্য উৎপাদনই করে না, বরং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় শুরু থেকেই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কারখানা প্রাঙ্গণে ক্ষতিকারক রাসায়নিকের সঠিক ব্যবস্থাপনা, বর্জ্য শোধন এবং কার্বন নিঃসরণ কমানোর জন্য আধুনিক পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা হচ্ছে। ২০২৬ সালের বৈশ্বিক স্লোগানকে ধারণ করে গ্রিন ফ্যাক্টরি গড়ে তোলার এই ধারা আরও জোরদার করা হবে।"
ইএইচএস বিভাগের প্রধান মোস্তাফিজুর রহমান রাজু বলেন, "আমাদের শিল্পাঞ্চলে পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব রোধ করতে আমরা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড কঠোরভাবে মেনে চলছি। ক্ষতিকর রাসায়নিকের নিরাপদ ব্যবস্থাপনা, তরল বর্জ্য শোধনাগারের (ETP) সার্বক্ষণিক কার্যকারিতা এবং শতভাগ প্লাস্টিক ও অন্যান্য বর্জ্য পুনর্ব্যবহারযোগ্য করার প্রক্রিয়া আমরা নিশ্চিত করেছি।"
উক্ত অনুষ্ঠানে রেফ্রিজারেটর প্রোডাকশন বিভাগের প্রধান নাসির উদ্দীন, মানব সম্পদ বিভাগের প্রধান কাউসার উদ্দীন চৌধুরী এবং প্রশাসন বিভাগের প্রধান তানভীর আহম্মেদসহ হেডকোয়ার্টার্সের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করেন।

মন্তব্য করুন
মন্তব্য সমূহ
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!