ঢাকা-১৮ আসনকে বেষ্টন করে থাকা তুরাগ ও বালু নদীর বর্তমান অবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়েছে। নদী দূষণ, অবৈধ স্থাপনা, বেদখল এবং নদীভাঙনের বাস্তব চিত্র তুলে ধরেন স্থানীয় প্রতিনিধিরা।
পরিদর্শনকালে দেখা যায়, নদীর দুই তীরে যত্রতত্র গড়ে উঠেছে অবৈধ স্থাপনা। শিল্পবর্জ্য ও গৃহস্থালির ময়লা সরাসরি নদীতে ফেলার কারণে পানি দূষিত হচ্ছে। একইসঙ্গে বিভিন্ন পয়েন্টে নদীভাঙনে হুমকির মুখে পড়েছে বসতবাড়ি ও কৃষিজমি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীর মূল সীমানা অস্পষ্ট থাকায় দখলদাররা সুযোগ পাচ্ছে। তারা দীর্ঘদিন ধরে নদীর সীমানা পুনর্নির্ধারণ করে দখল ও দূষণমুক্ত করার দাবি জানিয়ে আসছেন।
এ প্রসঙ্গে বলা হয়, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান ঘোষিত ঢাকার চারপাশের বৃত্তাকার নদীপথ সচলকরণ এবং নদী রক্ষার মহাপরিকল্পনার সুফল যেন ঢাকা-১৮ আসনে মানুষও পায়, সেজন্য উদ্যোগ নেওয়া হবে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী বিষয়টি জাতীয় সংসদে পুনরায় তুলে ধরা হবে। পাশাপাশি পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সঙ্গে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ করে দ্রুত নদী সীমানা নির্ধারণ, উচ্ছেদ অভিযান ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, তুরাগ-বালু বাঁচলে ঢাকা-১৮ এর পরিবেশ, যোগাযোগ ও জীবিকা তিনটিই বাঁচবে। বৃত্তাকার নদীপথ চালু হলে যানজট কমার পাশাপাশি নদীকেন্দ্রিক অর্থনীতিও গড়ে উঠবে বলে তাদের প্রত্যাশা।