ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফন উপলক্ষে ইরান ও ইরাকের বিভিন্ন শহরে ৩ জুলাই থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত সাত দিনব্যাপী শোক ও দাফন কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। বিস্তারিত সময়সূচি নিচে দেওয়া হলো:
| তারিখ | স্থান | কর্মসূচির বিবরণ |
| ৩ জুলাই | তেহরান | দাফন ও শোকানুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু। |
| ৪ ও ৫ জুলাই | তেহরান (গ্র্যান্ড মোসাল্লা) | সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য কফিন প্রদর্শন। |
| ৬ ও ৭ জুলাই | তেহরান থেকে কোম | তেহরান থেকে পবিত্র শহর কোমের উদ্দেশ্যে বিশাল শোভাযাত্রা। |
| ৮ জুলাই | নজফ ও কারবালা (ইরাক) | নজফ বিমানবন্দরে সংবর্ধনা এবং পবিত্র শহর নজফ ও কারবালায় শোভাযাত্রা। |
| ৯ জুলাই | মাশহাদ | ইমাম রেজার মাজারে চূড়ান্ত দাফন সম্পন্ন। |
এই বিশাল প্রার্থনাস্থলে সর্বসাধারণ শেষ শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগ পাবেন।ইরানের শিয়া ইসলামি শিক্ষার প্রধান কেন্দ্র। এখানে ইরানের বৃহত্তম ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো অবস্থিত।
নজফে হজরত আলী (রা.)-এর মাজার এবং কারবালায় ইমাম হুসাইন (রা.) ও আব্বাস (রা.)-এর মাজার অবস্থিত, যা শিয়া মুসলিমদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র ও গুরুত্বপূর্ণ স্থান। এটি আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জন্মস্থান। শিয়া মতাবলম্বীদের অষ্টম ইমাম ‘ইমাম রেজা’-এর মাজার অবস্থিত এই শহরেই তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনেতা, ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা এই ঐতিহাসিক দাফন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করবেন।