গুলশানে স্পা সেন্টারে মিজানের দেহ ও মাদক ব্যবসা

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানী ঢাকার গুলশানের বিভিন্ন এলাকায় স্পা সেন্টারে অসামাজীক কাজ প্ররিচালিত হয় বলে বহুদিনের অভিযোগ রয়েছে।

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায় কিছু দালাল চক্র (আবাসিক)সহ ফ্ল্যাট বাসা ভাড়া নিয়ে সেখানে স্পা সেন্টার দিয়ে দেহ ও মাদক ব্যবসাসহ অসামাজিক কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

এরকমই কিছু স্পা সেন্টার ঘুরে দেখা যায়, সেখানে পাওয়া যায় সুন্দরী রমণীদের তাদেরকে কন্ট্রাক্ট করে নিয়ে যাচ্ছেন রুমের ভিতর। এসব আবাসিক এলাকায় স্পা সেন্টারে যারা কাজ করেন তারা বেশিরভাই নারী তারা এই অনৈতিক কাজে জড়িত আছে বলে বেশ কিছু দিন যাবৎ অভিযোগ ওঠেছে।

এই স্পা সেন্টার গুলোতে পাওয়া যায় উঠতি বয়ষের মডেল, স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী, পতিতা, বিভিন্ন চাকরিজীবী নারীসহ শতাধিক যৌনকর্মী। তাদের নিয়ে স্পা কর্তৃপক্ষ অসামাজিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। আবাসিক এলাকায় এসব স্পা সেন্টার নামে দেহ ও মাদক ব্যবসা চালানোয় এলাকার সুশীল সমাজ ও এলাকাবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। আবাসিক এলাকায় স্পা সেন্টারের যেখানে অনৈতিক কাজ হয় এসব অনৈতিক কাজে স্পা মালিকরাও জড়িত বলে অভিযোগ বহুদিনের।

গত কয়েক দিন ধরে এসব প্রতিষ্ঠান সরেজমিনে ঘুরে দেখা হয় এবং খদ্দের সেজে এই সব প্রতিষ্ঠানে ভিতরে প্রবেশ করে ভয়াবহ চিত্র দেখা যায়। এইসহ প্রতিষ্ঠানে দেদারছে চলছে দেহ ও মাদক ব্যবসা।

অনৈতিক কাজ করা প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে- ২৪ নং রোডের এই প্রতিষ্ঠানে অনৈতিক কাজ করা হয়। প্রতিটি রুমে রুমে মেয়ে দিয়ে চালিয়ে যাচ্ছেন এসব অনৈতিক কর্মকাণ্ড।

উল্লেখ থাকে যে, ২০১৪ সালের ১৯ নভেম্বর জাতীয় সংসদে বাংলাদেশ হোটেল ও রেস্তোরাঁ বিল-২০১৪ সংশোধিত আকারে পাস হয়।  সেখানে বলা হয়েছে অনৈতিক কোনো কাজ করা যাবে না।

রাজধানীর সুপ্রভাত প্রতিনিধি তাদের সাথে এই বিষয়ে তথ্য চাইতে গেলে সেখানে গনমাধ্যমকর্মীকে কোনো প্রকাশ তথ্য দিতে রাজি হয় নাই।

স্থানীয় এলাকাবাসীরা জানান, এইদিকে আইনের কর্মকতাদের একটু নজর দিলে আমাদের ছেলে মেয়েরা ভালো থাকতে পারবে বলে জানান এলাবাসী।

দহ্মিন সিটির্করপোরেসনের এক কর্মকতার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, তারা যদি অপরাধ মূলক কাজ করে থাকেন আমরা অল্প সময়ের ভিতরে আইনের আওতায় নিয়ে আসবো।

এই বিষয়ে গুলশান  থানার ভারপ্রাপ্ত কমকর্তা (ওসি)সাহেবের সাথে মোটোফোনে যোগাযোগ করতে চাইলে তাকে পাওয়া সম্ভব হয়নি।

চোখ রাখুন দ্বিতীয় সংখ্যায়……………….

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button