দাঁত ব্যথা নিয়ে সৌদির হাসপাতালে প্রবাসী, বের হলো তার নিথর দেহ

জেলা প্রতিনিধি, নোয়াখালী: দাঁতে ব্যথা নিয়ে সৌদির দাম্মাম শহরের হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ২৯ বছর বয়সী প্রবাসী বাংলাদেশি প্রবাসী সোহেল রানা।

টানা ২৫ দিন হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে জীবনযুদ্ধে হেরে গেছেন তিনি। একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে পাগলপ্রায় সোহেল রানার মা-বাবা। শনিবার (২৫ জানুয়ারি) বাংলাদেশ সময় দুপুর ১ টায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এর আগে ১ জানুয়ারি তাকে হাসপাতালে ভর্তি করান সহকর্মীরা।

সোহেল রানা নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরজব্বর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের চর পানা উল্লাহ গ্রামের হোসেন হাজী বাড়ির মো. ইউসুফের ছেলে।

জানা গেছে, ২০১৭ সালে সৌদি পাড়ি জমান সোহেল। চার বোন আর এক ভাইয়ের মধ্যে তিনি দ্বিতীয় সন্তান এবং পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন।

সোহেল রানার ফুফাতো সৌদি প্রবাসী মোহাম্মদ মিরাজ বলেন, গাড়ি চালানো শেষে হঠাৎ সোহেল রানার দাঁতে ব্যথা ওঠে। সে প্রায়ই দাঁত নিয়ে কষ্ট পেত। হাসপাতালে ভর্তি করানো হলে ডাক্তার জানান তার শারীরিক অবস্থা দিন দিন খারাপ হচ্ছে। সবশেষে তার ফুসফুস খারাপ হয়ে যায় এবং শনিবার (২৫ জানুয়ারি) বাংলাদেশ সময় দুপুর একটায় চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। অল্প বয়সে পরিবারের মায়া ত্যাগ করে সে প্রবাসে এসেছে। এখন দুনিয়া থেকে বিদায় নিলো। এটি মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে।

জানা গেছে, ২০১৭ সালে সৌদি পাড়ি জমান সোহেল। চার বোন আর এক ভাইয়ের মধ্যে তিনি দ্বিতীয় সন্তান এবং পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন।

সোহেল রানার ফুফাতো সৌদি প্রবাসী মোহাম্মদ মিরাজ বলেন, গাড়ি চালানো শেষে হঠাৎ সোহেল রানার দাঁতে ব্যথা ওঠে। সে প্রায়ই দাঁত নিয়ে কষ্ট পেত। হাসপাতালে ভর্তি করানো হলে ডাক্তার জানান তার শারীরিক অবস্থা দিন দিন খারাপ হচ্ছে। সবশেষে তার ফুসফুস খারাপ হয়ে যায় এবং শনিবার (২৫ জানুয়ারি) বাংলাদেশ সময় দুপুর একটায় চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। অল্প বয়সে পরিবারের মায়া ত্যাগ করে সে প্রবাসে এসেছে। এখন দুনিয়া থেকে বিদায় নিলো। এটি মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে।

সোহেল রানার প্রতিবেশী আব্দুল করিম বলেন, তার ব্যবহার অনেক ভালো ছিল। দেখা হলেই হাসিমুখে কথা বলত। দেশে থাকাকালীন তার দাঁতে সমস্যা ছিল। সেই দাঁত থেকে  তার পুরো শরীর ইনফেকশন হয়ে মারা গেল।  তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

চরজব্বর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবু কাউছার বলেন, “একমাত্র ছেলে ও  উপার্জনক্ষম ব্যাক্তিকে হারিয়ে সোহেল রানার পরিবার শোকে কাতর। পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তার মরদেহ দূতাবাসের মাধ্যমে শীগগিরই দেশে পাঠানোর অনুরোধ জানিয়েছে তার তার পরিবার।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button