

এ সময় মাসুজ পেজেশকিয়ান শেহবাজ শরিফকে জানান, তাদের ধারণা যুক্তরাষ্ট্র ‘কূটনৈতিকভাবে বিশ্বাসঘাতকতা’ করবে। যেমনটা তারা আরও আগে করেছে।
এছাড়া যুদ্ধবিরতি ও আলোচনা চলার সময়ও যুক্তরাষ্ট্র গুণ্ডামিমূলক ও অযৌক্তিক আচরণ করছে বলে শেহবাজকে বলেন পেজেশকিয়ান। আর এ কারণেই তাদের মধ্যে সন্দেহ তৈরি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র কূটনীতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে তাদের ওপর আবারও হামলা চালাবে। এরসঙ্গে মার্কিনিদের এসব আচরণ তাদের মধ্যে আরও সন্দেহ তৈরি করেছে যে, তারা আলোচনাকে এতটা গুরুত্ব দিচ্ছে না।
এ টেলিআলাপের পর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী যে বিবৃতি দিয়েছেন, সেখানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় ধাপের আলোচনার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি।
গতকাল রোববার (১৯ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনার জন্য পাকিস্তানের ইসলামাবাদে আজ সোমবার তার প্রতিনিধিদের পাঠাবেন তিনি।
কিন্তু ইরান ইঙ্গিত দিয়েছে তারা এ আলোচনায় অংশ নেবে না।
ইরানি বার্তাসংস্থা ফার্স নিউজ ও তাসনিম নিউজ ‘অজ্ঞাত’ সূত্রের বরাতে জানায় ‘(আলোচনার ক্ষেত্রে) সার্বিক পরিস্থিতিকে খুব একটা ইতিবাচক হিসেবে মূল্যায়নের সুযোগ নেই।’
সূত্রগুলো বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি তাদের সঙ্গে আলোচনা করতে চায় তাহলে আগে নৌ-অবরোধ তুলতে হবে। এটি তাদের পূর্বশর্ত।
এসবের মধ্যে রোববার ইরানের একটি বাণিজ্যিক জাহাজ জব্দ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী। যা বর্তমান পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে দিয়েছে। তেহরান সতর্কতা দিয়েছে, তারা এর পাল্টা জবাব দেবে।
সূত্র: এপি




