

শুক্রবার (১৫ মে) বিকেলে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
বিষয়টি ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেছেন গাইবান্ধা সদর কোর্টের জেনারেল রেজিস্ট্রার অফিসার (জিআরও) গোবিন্দ চন্দ্র রায়। সকালে পৌরসভা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার কাজী আব্দুল গোফফার পৌর শহরের ১নম্বর ওয়ার্ডের কাজী বলে জানা গেছে। এরআগে গতকাল বৃহস্পতিবার গোফফার কাজী ও স্বামী শরিফ আল কামালের বিরুদ্ধে একটি প্রতারণা মামলা করেন বল্লমঝাড় ইউনিয়নের কোমড়পুর গ্রামের সোলাইমান সরকারের মেয়ে ভুক্তভোগী রিক্তা আক্তার শিখা।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ১ এপ্রিল গোফফার কাজীর গাইবান্ধা পৌরসভার ডেভিড কোম্পানিপাড়ার কাজী অফিসে সদর উপজেলার বোয়ালী ইউনিয়নের নশরতপুর গ্রামের আব্দুল হামিদ খন্দকারের ছেলে শরিফ আল কামালের সাথে ১০ লাখ টাকা মোহরানা ধার্যে মুসলিম শরীয়ত মোতাবেক রিক্তা আক্তারের রেজিস্ট্রেশনকৃত বিয়ে হয়। বিয়ের কয়েকদিন পর কাবিননামা আনতে গেলে তিনি তালবাহানা করতে থাকেন। এক পর্যায়ে ৩ মে কাজীকে তার অফিসে গিয়ে না পেয়ে অভিযুক্তের বাড়িতে যান ভুক্তভোগী।
এ সময় কাজী প্রথমে কাবিনমানা দিতে অস্বীকার করলেও পরে একটি এক লাখ ১০ হাজার টাকার ভুয়া কাবিননামা দেন। ভুক্তভোগী তাৎক্ষণিক এটাকে ভুয়া বলে দাবি করলে গোফফার কাজী রিক্তা আক্তারকে ভয়-ভীতি এবং হুমকি দিয়ে তাড়িয়ে দেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। একই সাথে অভিযোগে গোফফার কাজী মোটা অংকের টাকা ঘুষ খেয়ে কাবিননামায় ১০ লাখের পরিবর্তে এক লাখ টাকা করায় তিনি বিশ্বাস ভঙ্গ করেছেন বলেও উল্লেখ করা হয়।
এ ঘটনায় গত ৪ মে সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেন ভুক্তভোগী রিক্তা আক্তার। পরবর্তীতে অভিযোগটি তদন্ত করে সত্যতা পাওয়ায় গতকাল বৃহস্পতিবার রিক্তা আক্তারের স্বামী শরিফ আল কামাল ও গোফফার কাজীর বিরুদ্ধে মামলা নেয় পুলিশ।
গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, কাবিনমানায় মোহরানা পরিবর্তনের মামলায় অভিযুক্ত কাজীকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। গতকালই স্বামীসহ এই কাজীর নামে কাবিনমানায় প্রতারণার মামলা হয়।




