আজকের শিশু-কিশোর ও তারুণ্যই আগামীর বাংলাদেশ। তাদের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ, শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ইতিবাচক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। ক্রীড়া মানুষকে শৃঙ্খলাবোধ, অধ্যবসায়, নেতৃত্ব, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহিষ্ণুতা ও দেশপ্রেমের শিক্ষা দেয়।
২৭ জুলাই ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫-২০২৬’-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান উপলক্ষে ২৬ জুলাই নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মানবসম্পদ ও জাতীয় ঐক্য: সরকার ক্রীড়াকে মানবসম্পদ উন্নয়ন, জাতীয় ঐক্য এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধির একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করছে।
তৃণমূল থেকে প্রতিভা অন্বেষণ: তৃণমূল থেকে প্রতিভা অন্বেষণ ও আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়াবিদ গড়ে তুলতে ধারাবাহিক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে এবং সেগুলোর বাস্তবায়ন চলছে।
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস: গত ২ মে ২০২৬ ঐতিহ্যবাহী সিলেট জেলা স্টেডিয়াম থেকে দেশব্যাপী 'নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫-২০২৬'-এর উদ্বোধন হয়েছিল। সারা দেশে আটটি ইভেন্টে সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর ২৭ জুলাই ২০২৬ বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই আসরের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান।
শিক্ষা কারিকুলামে অন্তর্ভুক্তি: সরকার ক্রীড়াকে কেবল শরীরচর্চা, বিনোদন বা প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র হিসেবে নয়, বরং পেশা হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে জাতীয় শিক্ষা কারিকুলামে ক্রীড়াকে অন্তর্ভুক্ত করছে।
বয়সসীমা ও নতুন ইভেন্ট: ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬-২০২৭’ আসরে টেবিল টেনিস ও ভলিবল সংযোজনের মাধ্যমে ইভেন্টের সংখ্যা ১০-এ উন্নীত হবে। অধিকসংখ্যক প্রতিভাবান খেলোয়াড়কে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যে অংশগ্রহণকারীদের বয়সসীমা সম্প্রসারণ করে ১০ থেকে ১৪ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে।
আধুনিক প্রশিক্ষণ: প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ, প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতা এবং বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)-তে ভর্তির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার প্রদানের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

মন্তব্য করুন
মন্তব্য সমূহ
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!