মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলায় খাল পুনঃখনন প্রকল্পের অব্যয়িত ২ কোটি ২০ লাখ ৩৬ হাজার ৯৪৫ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মহম্মদপুর উপজেলার বাবুখালী ইউনিয়নের রায়পুর স্লুইস গেট থেকে বালিদিয়া নির্বিশখালী পর্যন্ত ১৫ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। কৃষিজমিতে সেচসুবিধা বাড়ানো এবং জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্য নিয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন শাখা প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে।
প্রকল্পটির জন্য মোট ৩ কোটি ৮৬ লাখ ২৭ হাজার ১২ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। তবে গত বছর একই খালের ৬ দশমিক ৭৫০ কিলোমিটার অংশ পানি উন্নয়ন বোর্ড পুনঃখনন করায়, এবার কেবল বাকি ৮ দশমিক ২৫০ কিলোমিটার অংশে খননকাজ চালানো হয়। এতে মোট ব্যয় হয় ১ কোটি ৬৫ লাখ ৮৫ হাজার ৭৬৭ টাকা। পরবর্তীতে হিসাব করে অব্যয়িত থাকা ২ কোটি ২০ লাখ ৩৬ হাজার ৯৪৫ টাকা গত ২৬ জুলাই সরকারি কোষাগারে ফেরত পাঠানো হয়।
জানা গেছে, গত ১১ এপ্রিল প্রকল্পটির উদ্বোধন করেছিলেন সংস্কৃতি মন্ত্রী ও মাগুরা-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী। মে মাসের শেষদিকে কাজ শুরু হয়ে ৪০ কর্মদিবসের কর্মসূচি নির্ধারিত থাকলেও মাত্র ২৪ দিনেই এর খননকাজ শেষ হয়।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) ও প্রকল্পের সদস্যসচিব মো. রাশেদুল হাসান জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ড ইতিপূর্বে আংশিক খনন করায় তারা কেবল অবশিষ্ট ৮ দশমিক ২৫০ কিলোমিটার অংশে কাজ করেছেন। এ সময় প্রতিদিন গড়ে ৮৯২ জন শ্রমিক কাজ করে মাত্র ২৪ দিনেই সম্পূর্ণ কার্যক্রম সফলভাবে শেষ করেন।
মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও প্রকল্পের সভাপতি বেদবতী মিস্ত্রী বলেন, প্রকল্পের আওতায় নির্ধারিত অংশ সফলভাবে পুনঃখনন করা হয়েছে এবং বাকি অংশ আগে থেকেই সংস্কার করা থাকায় সেই অংশের বরাদ্দের অব্যয়িত অর্থ নিয়ম অনুযায়ী সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য করুন
মন্তব্য সমূহ
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!