পা যেন না ফাটে এই শীতে

লাইফস্টাইল:  পায়ের গোড়ালি ফাটার সমস্যা ছেলেমেয়ে সবার মধ্যেই দেখা যায়। শীত মৌসুম এলে তো কথাই নেই।

গোড়ালির ত্বক শুষ্ক ও রুক্ষ হলে পা ফাটতে শুরু করে। অনেক সময় আবার যত্নের অভাবেও গোড়ালি ফাটতে দেখা যায়। শুধু তাই নয়, ভিটামিন ই-র অভাব, ক্যালসিয়াম ও আয়রনের অভাবে গোড়ালি ফাটতে শুরু করে। গোড়ালি সারাতে অনেকেই ক্র্যাক হিল ক্রিম ব্যবহার করে থাকি। তবে এমন কিছু ঘরোয়া উপায় আছে, যার সাহায্যে পা ফাটা আটকাতে পারেন।

নারিকেল তেল ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। শুষ্ক ত্বকে আর্দ্রতার জোগানও দেয়। একইসঙ্গে ত্বক থেকে মৃত কোষগুলো সরিয়ে ত্বককে আরও সজীব করে তোলে। পায়ের গোড়ালি ফাটা ঠেকাতে প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে একটি পাত্রে ২ টেবিল চামচ নারিকেল তেল নিয়ে পুরো পায়ে ভালোভাবে মালিশ করবেন।

পেট্রোলিয়াম জেলি ত্বকের জন্য খুবই ভালো। এটি শুষ্ক ত্বকে আর্দ্রতা জোগায়, ত্বককে রাখে নরম। এটি ফাটা গোড়ালি সারিয়েও তোলে। এটি ব্যবহারের জন্য প্রতিদিন রাতে প্রথমে ময়েশ্চারাইজার ও পিউমিক স্টোন নিন। এরপর ১৫-২০ হালকা গরম পানিতে পা ভিজিয়ে রেখে পিউমিক স্টোন ব্যবহার করে পা স্ক্রাব করুন। এরপর পায়ে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে তার ওপর পেট্রোলিয়াম জেলি লাগাবেন।

প্রথমে হালকা গরম পানিতে ১০-১৫ মিনিট পা ভিজিয়ে রাখুন। এরপর পিউমিক স্টোনের ব্যবহার করে পা স্ক্রাব করে নিন। হাতে পরিমাণ মতো মধু নিয়ে গোড়ালিতে ভালো করে লাগিয়ে নিন। প্রতি রাতে শুতে যাওয়ার আগে এই নিয়ম মেনে চলুন। কয়েকদিনেই পার্থক্য চোখে পড়বে।

পায়ের ত্বকের কথা ভেবে সুতির মোজার ওপর ভরসা রাখতে পারেন। তবে দিনে একটানা সাত-আট ঘণ্টা এক মোজা পরার পর, পরের দিন আর সে মোজা পরবেন না। মোজা নোং‌রা না হলে বা তেমন গন্ধ না হলে অনেকেই একই মোজা পর পর দু’দিন ব্যবহার করেন। পায়ের জন্য এই অভ্যাস অত্যন্ত খারাপ। ঘাম না হলেও মোজা এক টানা পরলে পায়ে নানা ফাঙ্গাল সংক্রমণ হয়। তবে মোজা পরার আগে পা মুছে নিন। ভেজা পায়ে মোজা পরা ঠিক হবে না।

পায়ের যত্নের পাশাপাশি নখের যত্নও নিতে হবে। নখ ঠিকভাবে কাটতে হবে। নখ শুধু কাটলে হবে না। নখ পরিষ্কারও করতে হবে। ময়লা জমে নখের সংক্রমণ থেকেও পায়ের ত্বকও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। পুরো শীতে প্রতিদিন ওপরের নিয়ম মেনে চলুন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button