

মোঃ ইব্রাহিম, ঢাকা: গোপালগঞ্জে এনসিপি’র কেন্দ্রীয় নেতাদের গাড়ি বহরে হামলার প্রতিবাদে রাজধানীর উত্তরায় বিএনএস সেন্টার এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করেছে উত্তরা ও আশে পাশের এনসিপি’র নিতাকর্মীরা।
আজ বুধবার (১৭ জু্লাই) বিকাল সারে ৫ টার দিকে উত্তরার বিএনএস সেন্টার এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করেছে স্থানীয় এনসিপের নেতাকর্মীরা।
এ সময় ছাত্র আন্দোলনের কয়েকজন নেতৃবৃন্দ বলেন, গত বছর জুলাই-২৪ এর ঠিক ১৬ তারিখে আমাদের প্রিয় ভাই আবু সাঈদকে শেখ হাসিনার দোসর গুডা পুলিশ বাহিনী গুলি করে হত্যা করেছে। গোপালগঞ্জে আজ একই ভাবে একই দিনে ফ্যাসিস আওয়ামী লীগ গুন্ডারা পুলিশের সামনে আমাদের নেতাদের গাড়ি বহরে হামলা করছে।
তারা আরো বলেন, তাহলে কি গোপালগঞ্জের পুলিশ হাসিনার পালিত পুলিশ। এখনো তারা কি ভাবে বহাল থাকে আমরা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নিকট জানতে চাই। বিএনএস সেন্টার ব্লকড করার কারণে মূহুর্তের মধ্যে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক যানজটে নাকাল হয়ে উঠে। গুরি গুরি বৃষ্টির মধ্যে যানজটে আটকা পড়ে ভাপসা গড়মে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে গণপরিবহন যাত্রীরা। এ সময় গণপরিবহন যাত্রীরা গাড়ির জানালা দিয়ে হাত নেড়ে নেড়ে বলতে থাকে গাড়ি কখন ছাড়বে। দেখা যায় প্রচন্ড গড়মে বয়স্ক নারী পুরুষ অনেকে অসুস্থ হয়ে উঠেছে।
সড়ক অবরোধের কারণে ঢাকার প্রবেশ পথ উত্তরা আজমপুর এলাকা থেকে শুরু করে টঙ্গী গাজীপুর সড়ক ও ফ্লাই ওভারে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে। অপর দিকে বিএনএস সেন্টার থেকে কুড়িল বিশ্ব রোড পর্যন্ত শত শত গণপরিবহন যানজটে আটকা পড়ে।
সড়ক অবরোধ থাকার সময় আন্দোলনকারীদের সাথে সড়ক অবরোধ না করার জন্য পুলিশ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উর্ধতন কর্মকর্তাদের সাথে দফায় দফায় আলাপ হয়। এ সময় এনপিপির কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে আলাপ করে উত্তরা বিমানবন্দর মহাসড়ক ব্লকড ছেড়ে দেন আন্দোলনকারীরা। প্রশাসনের সহযোগিতায় সড়ক অবরোধ ছেড়ে দিলে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক ধীরে ধীরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে উঠে।
বিকাল সাড়ে ৫ টায় আন্দোলন শুরু হওয়ার পর ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। তবে কোন ধরনের দোকানপাট ও গাড়ী ভাংচুর করা হয়নি। এনসিপি নেতৃবৃন্দ ও ছাত্র জনতার শান্তি পূর্ণ আন্দোলন হলেও সড়কে যানচলাচল বন্ধ থাকায় সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির স্বীকার হয়।




