
ময়মনসিংহ ও গাজীপুরে নির্বাচনী জনসভা শেষ করে রাত দেড়টার দিকে উত্তরা ঈদগাহ মাঠে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ময়মনসিংহ ও গাজীপুরের জনসভা শেষ করে স্ত্রী জুবাইদা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে উত্তরা পৌঁছালে হাজার হাজার নেতাকর্মী তাঁদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।
গ্রামীণ অর্থনীতিতে পরিবর্তনের অঙ্গীকার করে তারেক রহমান তাঁর বক্তব্যে দেশের সাধারণ মানুষের জন্য দুটি বিশেষ প্রকল্পের ঘোষণা দেন।
তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ড দেশের নারীদের অর্থনৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এই কার্ড প্রবর্তন করা হবে। আর কৃষি কার্ড কৃষকদের ভাগ্য উন্নয়নে এবং উৎপাদন বৃদ্ধিতে বিশেষ সহায়তা হিসেবে এই কার্ড চালু করা হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই দুই পদক্ষেপ দেশের গ্রামীণ অর্থনীতিতে আমূল পরিবর্তন আনবে।
উত্তরার বাসিন্দাদের নাগরিক দুর্ভোগের কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, “এখানকার মানুষ নিয়মিত গ্যাসের বিল দিলেও পর্যাপ্ত গ্যাস পাচ্ছেন না। বিশুদ্ধ পানির সংকটও প্রকট।” তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, বিএনপি সরকার গঠন করলে, গ্যাস ও বিশুদ্ধ পানির সমস্যার দ্রুত সমাধান করা হবে। উত্তরার সাধারণ মানুষের জন্য একটি উন্নত মানের সরকারি হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে, যাতে স্বল্পমূল্যে আধুনিক চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত হয়। উত্তরার তীব্র যানজট নিরসনে সুনির্দিষ্ট ও কার্যকর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।
আসন্ন ১২ তারিখের জাতীয় নির্বাচন নিয়ে নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “আপনারা তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ে ভোটকেন্দ্রে যাবেন এবং ফজরের নামাজ কেন্দ্রে জামাতে আদায় করে লাইনে দাঁড়িয়ে যাবেন। লক্ষ্য রাখবেন, আপনাদের আগে যেন অন্য কেউ কেন্দ্রে ঢুকতে না পারে। ভোট শুরু হওয়া মাত্রই সবাই মিলে ধানের শীষে ভোট দেবেন।”
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি দেশের মানুষের ভোটাধিকার রক্ষা এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।




