
নিজস্ব প্রতিবেদক: বিদ্যমান আইন ও আইনি ব্যবস্থা নারী ও শিশুদের রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে। শিশু ও নারীদের রক্ষা করতে শরীয়াহ আইন প্রবর্তন করতে হবে। শরীয়াহ আইনের সফলতা প্রমাণিত। বিশ্ব প্রায় এক হাজার বছর এই আইনের অধীনে নিরাপত্তার সঙ্গে জীবনযাপন করেছে।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) বিকেলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব কথা বলা হয়।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের সভানেত্রী নুরুস সাবিহা ও সদস্য সচিব হাফেজা বুশরা এক বিবৃতিতে বলেছেন, বিদ্যমান আইন ও আইনি ব্যবস্থা নারী ও শিশুদের রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে। শুধু রামিসার ক্ষেত্রেই নয়, বরং আদালতে দাখিল হয়েছে এমন দেড় লাখ নারী ও শিশু নির্যাতনের বিচার করতেও বিদ্যমান আইন ও আইনি ব্যবস্থা ব্যর্থ হয়েছে। এই ব্যর্থ ব্যবস্থা আমরা বিগত ৫৫ বছর ধরে দেখেছি। এই আইনি ব্যবস্থা অপরাধীর পক্ষে অবস্থান নেয়, অপরাধীকে সুযোগ করে দেয়। কোনো অপরাধীরই শাস্তি বাস্তবায়ন হয় না। ফলে দেশে একের পর এক ঘটনা ঘটেই চলছে। একের পর এক ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের শিকার হচ্ছে আমাদের কোমলমতি শিশুরা।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়, শিশু ও নারীদের রক্ষা করতে শরীয়াহ আইন প্রবর্তন করতে হবে। শরীয়াহ আইনের সফলতা প্রমাণিত। বিশ্ব প্রায় এক হাজার বছর এই আইনের অধীনে নিরাপত্তার সঙ্গে জীবনযাপন করেছে।
বিবৃতিতে তারা বলেন, আমরা অপরাধীর পরিচয়কে বড় করে দেখতে চাই না। অপরাধ যেই করুক, তাকেই শাস্তির আওতায় আনতে হবে। গতকাল রামপুরার মাদ্রাসায় একটি ছেলে শিশুর মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। সেই শিশুর সঙ্গেও নিপীড়নমূলক আচরণ হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। আমরা দ্রুত তদন্ত করার আহ্বান জানাচ্ছি। তদন্ত শেষে অপরাধীকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।
তারা আরও বলেন, গত বছর আছিয়া হত্যা নিয়েও দেশ আলোড়িত হয়েছিল। তৎকালীন আইন উপদেষ্টা নব্বই দিনের মধ্যে বিচারের আশ্বাস দিয়েছিলেন। আজকে এক বছর হতে চলল, অপরাধীর শাস্তি কার্যকর হয়নি। রসু খান নামে সিরিয়াল কিলারকে ২০০৯ সালে একাধিক হত্যার অপরাধে আটক করা হয়। সেই নৃশংস অপরাধীর শাস্তিও বাস্তবায়ন হয়নি। আসলে দেশে কোনো অপরাধীর শাস্তিই বাস্তবায়িত হয় না। এ কারণে অপরাধীরা সাহস পায়। শরীয়াহ আইন প্রবর্তিত হলে দ্রুততম সময়ে কঠোর শাস্তি বাস্তবায়ন হবে। এতে করে অপরাধীদের মনে ভীতি তৈরি হবে। অপরাধপ্রবণতা কমে যাবে। তাই রামিসাদের রক্ষা করতে শরীয়াহ ছাড়া কোনো উপায় নাই।




