

মোঃ পাপেল মিয়া, গাজীপুর।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে গাজীপুরে সকল আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী ও গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে এক বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি) হেডকোয়ার্টার্সের কনফারেন্স রুমে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সমন্বিত নিরাপত্তা পরিকল্পনায় গুরুত্ব
সভায় সভাপতিত্ব করেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ ইসরাইল হাওলাদার। তিনি নির্বাচনের নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে উপস্থিত বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ গ্রহণ করেন।
পুলিশ কমিশনার তার বক্তব্যে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন,
“একটি সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দেওয়া আমাদের সকলের নৈতিক ও পেশাগত দায়িত্ব। নির্বাচনের পরিবেশ বিঘ্নিত করতে পারে এমন যেকোনো অপতৎপরতা রুখে দিতে সকল বাহিনীকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসন ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করবে।”
উপস্থিত ছিলেন যারা
নির্বাচনের মাঠপর্যায়ে সমন্বয় বাড়াতে এই সভায় প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন:
জিএমপি: অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মোহাম্মদ তাহেরুল হক চৌহানসহ সকল উপ-পুলিশ কমিশনার ও থানার ওসিগণ।
প্রশাসন ও নির্বাচন: গাজীপুর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও সিভিল সার্জন।
বাহিনীসমূহ: বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব, আনসার বাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআই ও এনএসআই-এর প্রতিনিধিবৃন্দ।
সেবা সংস্থা: ফায়ার সার্ভিস ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর কর্মকর্তাগণ।
সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস
সভায় উপস্থিত সকল সংস্থার প্রতিনিধিরা নির্বাচনের দিন এবং এর আগে-পরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। বিশেষ করে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা, স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে বিজিবি ও সেনাবাহিনীর অবস্থান এবং গুজব প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানোর বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করা হয়।
ভোটাররা যেন নির্ভয়ে কেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেজন্য আগামী কয়েকদিন গাজীপুর জুড়ে নিয়মিত টহল ও বিশেষ অভিযান জোরদার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।




