

জাতিসংঘ
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভয়াবহ যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ইরানকে অবিলম্বে উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর হামলা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ।
সোমবার এই সংক্রান্ত একটি রেজল্যুশন পাস হয়, যেখানে ইরানের সামরিক পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন এবং বিশ্ব শান্তির জন্য গুরুতর হুমকি হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।
১৫ সদস্যবিশিষ্ট নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে রেজল্যুশনটির পক্ষে ভোট দেয় ১৩টি সদস্যরাষ্ট্র। বাকি দুটি রাষ্ট্র ভোটদান থেকে বিরত ছিল। রেজল্যুশনে পরিষ্কারভাবে সৌদি আরব, বাহরাইন, কুয়েত, ওমান, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং জর্ডানের ওপর হামলা বন্ধ করতে তেহরানকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গত ৬ থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে পরমাণু প্রকল্প নিয়ে চলা সংলাপ কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়। এর পরপরই পাল্টে যায় পরিস্থিতি, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানে শুরু করে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’। ইসরায়েল শুরু করে তাদের সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’। হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি-সহ অন্তত ৪০ জন শীর্ষ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা নিহত হন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বিমান হামলায় ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর জবাবে ইরান মধ্যপ্রাচ্যের ৬টি দেশে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে দফায় দফায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে হরমুজ প্রণালি। ব্রিটিশ সংস্থা ইউকে মেরিটাইম অপারেশনের তথ্যমতে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ১০টির বেশি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা হয়েছে। ইরান সম্প্রতি এই আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জলপথে মাইন বসানো শুরু করেছে বলেও জানা গেছে।
সূত্র: এএফপি




