
আবদুল আলিম, প্রতিনিধি জেলা নাটোর:
নাটোরের গুরুদাসপুরে চলন বিলে রসুন চাষ করে ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে অনেক কৃষকের।
সারেজমিন ঘুরে দেখা যায়, রসুন চাষিরা চলন বিলে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
কথা হয় মোঃ হাফিজুর রহমান এক কৃষকের সাথে তিনি বলেন, নাটোরের গুরুদাসপুরে চলন বিলের বিখ্যাত রসুন আবাদ করে জমির মালিক ও কৃষকদের অনেক লাভবান হয়েছে। রসুন আবাদ করে আমরা অনেক উন্নত হয়েছি। আমাদের সরকার উন্নত হয়েছে। আমরা যারা নিম্নবিত্ত কৃষক আছি তাদেরও একটা কাজের ব্যবস্থা হয়েছে। নিম্নবিত্ত কৃষকদের কাজ করে জীবন যাপন করছে। রসুন লাগানো সময় কাজ করে আমাদের জীবন যাপন ভালো ভাবে। হাতে অনেক টাকা পয়সা আসে সেই টাকা দিয়ে আমরা সংসারের যাবতীয় কাজ কর্ম করে থাকি।
এই কৃষক আরও জানিয়েছেন, এক বিঘা জমিতে রসুন লাগে চার মন। জমিতে কৃষক লাগে ১৫ জন করে, সার কীটনাশক, ম্যাগনেসিয়াম পটাশিয়াম, সালফেট ও যাবতীয় কীটনাশক মিলে প্রতি বিঘাতে ৮০ হাজার থেকে ৯০ হাজার টাকা খরচ হয়। তাতে করে প্রতিমান রসুন পাঁচ হাজার টাকার বেশি খরচ পরে।
কাছি কাটা বাজারের সার ডিলার, ও কীটনাশক দোকানদাররা বলেন, স্যারের অনেক সংকট। সার নাই সেই জন্য দাম বেশি। আপনি যা বলার, সরকারকে বলেন আমাদেরকে বলে লাভ নেই।
তিনি আরো বলেন, গুরুদাসপুর উপজেলার কৃষিবিদ অফিসার ভাইদেরকে বলেছেন, তারা যেন মাঠে এসে সঠিক নির্ণয় করে তাদেরকে সহযোগিতা করেন। কারণ রসুনে অনেক ব্যাধি হয় তাতে অনেক টাকা খরচ হয়। কিন্তু তারা কোন প্রকার সহযোগিতা পায়না বলে দাবি করেন।




