জাতীয় গ্রিডে যান্ত্রিক ত্রুটির জেরে টানা ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট বিদ্যুৎবিহীন ছিল প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সচিবালয়। আকস্মিক এই বিদ্যুৎ বিভ্রাটে সচিবালয়ের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে দাপ্তরিক কার্যক্রমে মারাত্মক স্থবিরতা তৈরি হয় এবং স্বাভাবিক কাজের পরিবেশ ব্যাহত হয়।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে সচিবালয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। পরে বেলা প্রায় ২টার দিকে কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ ফিরতে শুরু করলেও দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় কর্মকর্তা-কর্মচারীরা স্বাভাবিক দাপ্তরিক কাজ সম্পাদন করতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন।

সরেজমিনে দেখা যায়, হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় কম্পিউটারে কাজ করা, নথি সই করা ও ফাইল আদান-প্রদানসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত কার্যক্রম থমকে দাঁড়ায়। অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারীকে কাজ বন্ধ রেখে অলস সময় পার করতে দেখা যায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, “বিদ্যুৎ না থাকায় সব ধরনের দাপ্তরিক কাজ স্থবির হয়ে পড়েছিল। ডিজিটাল যুগে বিদ্যুৎ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ কোনো ফাইল নিষ্পত্তি করা সম্ভব নয়, ফলে বসেই সময় কাটাতে হয়েছে।”

একই মন্ত্রণালয়ের আরেক কর্মকর্তা বলেন, “জরুরি দাপ্তরিক কাজের জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ অত্যন্ত জরুরি। হুট করে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় কাজের স্বাভাবিক গতি ব্যাহত হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় অনেক ফাইল আটকে গেছে।”

এদিকে ঠিক কী কারণে সচিবালয়ে এত দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল, সে বিষয়ে পাওয়ার গ্রিড বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ জানা যায়নি। তবে ঢাকার বিভিন্ন অংশে একই সময়ে ঘটা বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের প্রভাব সচিবালয়েও পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।