নীলফামারীর ডোমারে শ্যামল শর্মা (৩৮) নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এক নারীসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে ডোমার থানা পুলিশ।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাতে ডোমার উপজেলার হরিণচড়া ইউনিয়নের নীলাহাটি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

নিহত শ্যামল শর্মা ডোমারের শালমারা মধ্য পাড়া গ্রামের শুসেন শীলের ছেলে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—শালমারা গ্রামের মকবুল হোসেনের ছেলে আব্দুর রশিদ (৪০) এবং রাজশাহী জেলার রাজপাড়া থানার লক্ষ্মীপুর গ্রামের মৃত রমজান আলীর স্ত্রী শাহনাজ বেগম (২৯)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অসামাজিক কাজের উদ্দেশ্যে রাজশাহী থেকে শাহনাজ বেগম নামে ওই নারীকে নীলাহাটিতে নিয়ে এসেছিলেন নিহত শ্যামল শর্মাসহ অন্য সহযোগীরা। রাতে তারা ওই নারীকে নিয়ে একটি বাঁশবাগানে যান। সেখানে কোনো বিষয় নিয়ে নিজেদের মধ্যে তীব্র কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে অন্য আসামিরা শ্যামল শর্মাকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন।

এ সময় শ্যামল শর্মার চিৎকার শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাস্থলে ছুটে এসে দুজনকে হাতেনাতে আটক করেন এবং গুরুতর আহত অবস্থায় শ্যামলকে হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই কৃষ্ণ শর্মা বাদী হয়ে ডোমার থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ডোমার থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস আলম সরকার জানান, অসামাজিক কার্যকলাপের উদ্দেশ্যে নারীকে আনাকে কেন্দ্র করে যুবকদের অভ্যন্তরীণ বিরোধ ও কথা কাটাকাটি হয়। এর একপর্যায়ে মারধরে মারাত্মক আহত হয়ে ওই যুবক হাসপাতালে মারা যান। স্থানীয়রা নারীসহ দুজনকে আটক করে পুলিশে সমর্পণ করেছে। গ্রেপ্তারকৃত দুজনকে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।