

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক | ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬
২০২৬ সালের সরকারি মাধ্যমের হজযাত্রীদের সেবা নিশ্চিত করতে শর্তসাপেক্ষে ১০০ জনকে হজ গাইড হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি অফিস আদেশ জারি করেছে।
অফিস আদেশে জানানো হয়, হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা বিধিমালা অনুযায়ী মক্কা, মদিনা, মিনা, আরাফা ও মুজদালিফাসহ সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থানে হজযাত্রীদের সেবা দেবেন এই গাইডরা। প্রত্যেক গাইডকে প্রায় ৪৬ জন হজযাত্রীর সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করতে হবে।
যোগাযোগ: হজযাত্রীদের নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ তৈরি করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান এবং সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করা।
প্রক্রিয়াকরণ: বায়োমেট্রিক সম্পাদন, টিকা গ্রহণ, পাসপোর্ট সংগ্রহ ও ভিসা আবেদনে সহায়তা করা এবং বিমানের টিকিট সংগ্রহ নিশ্চিত করা।
ধর্মীয় শিক্ষা: হজযাত্রীদের হজের আরকান-আহকাম সম্পর্কে সঠিক ধারণা ও তা’লিম দেওয়া।
কোনো হাজী হারিয়ে গেলে তাৎক্ষণিক কর্তৃপক্ষকে জানানো এবং অসুস্থ হাজীদের চিকিৎসা কেন্দ্রে নেওয়ার ব্যবস্থা করা।
হজযাত্রীদের সাথে নম্র ব্যবহার করা এবং জাতীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয় এমন কাজ থেকে বিরত থাকা। সফরের সময় নির্ধারিত ইউনিফর্ম পরিধান ও জাতীয় পতাকা বহন করা।
১. আর্থিক লেনদেন নিষেধ: হজ গাইড কোনো হজযাত্রীর খাবার ক্রয় বা ব্যক্তিগত আর্থিক লেনদেনে জড়িত হতে পারবেন না। ২. অঙ্গীকারনামা: নিয়োগ পাওয়ার পর ঢাকার হজ অফিসে নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা জমা দিতে হবে। ৩. প্রশিক্ষণ: মনোনীত প্রত্যেক গাইডকে আবশ্যিকভাবে নির্ধারিত প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করতে হবে। ৪. সুযোগ-সুবিধা: চাকুরিরত গাইডদের সৌদি আরবে অবস্থানকাল ‘অন ডিউটি’ হিসেবে গণ্য হবে। তারা হজযাত্রীদের মতো সুযোগ-সুবিধা এবং মোবাইল ও আনুষঙ্গিক ব্যয়ের জন্য নির্ধারিত অর্থ পাবেন।
নিয়োগপ্রাপ্ত গাইডদের বাংলাদেশ প্রত্যাবর্তনের পর হজ সংক্রান্ত সার্বিক কার্যক্রমের ওপর একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে জমা দিতে হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।




