

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
দেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে গুণগত পরিবর্তন আনার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, “অতীতের নেতিবাচক ধারা পরিহার করে আমরা ভালো রাজনৈতিক সংস্কৃতি চর্চা, সৃজন ও লালন করতে চাই। আর এই যাত্রার শুভ সূচনা আমরা জাতীয় সংসদ থেকেই করতে চাই।”
বুধবার (১১ মার্চ) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম ‘রিফর্ম ওয়াচ’ আয়োজিত এক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ফ্যাসিস্ট শাসনের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে মন্ত্রী বলেন, বিগত সময়ে রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে। আমরা একটি রাজনৈতিক দল ও জাতি হিসেবে সংবিধান প্রদত্ত মৌলিক মানবাধিকার সংরক্ষণে দায়বদ্ধ।
এটি আমাদের নির্বাচনি ইশতেহার এবং ‘৩১ দফা’র অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার। ভবিষ্যতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের মাত্রা শূন্যে নামিয়ে আনতে পর্যায়ক্রমে কাজ করা হচ্ছে। তবে রাতারাতি সব পরিবর্তন সম্ভব নয়, আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে পৌঁছাতে কিছুটা সময়ের প্রয়োজন।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী, সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরুর ৩০ দিনের মধ্যে এসব অধ্যাদেশ পাস, সংশোধন বা গ্রহণ করতে হবে।
এই অধ্যাদেশটি বর্তমান সংসদের প্রথম ৩০ দিনের মধ্যেই উত্থাপন করা হবে। এর অধিকাংশ বিষয়ে সরকার একমত, তবে প্রয়োজনে কিছু সংশোধনী আনা হতে পারে।
১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ৭টি অধ্যাদেশ রয়েছে। সময়ের অভাবে কোনো অধ্যাদেশ ল্যাপস (বাতিল) হয়ে গেলে পরবর্তীতে তা বিল আকারে সংসদে আনা হবে।
নাগরিক প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক ও সিপিডি’র সম্মানীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের সভাপতিত্বে সংলাপে আরও বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক রেহমান সোবহান, ব্যারিস্টার এ. এম. মাহবুব উদ্দিন খোকন এমপি, অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান এমপি, ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা এমপি, অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান এমপি, ব্যারিস্টার সারা হোসেন এবং খুশী কবির প্রমুখ।




