

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার পৌরসভার শ্যামলী এলাকায় ৫শ মিটার রাস্তা পাকা করনের অভাবে বছরের পর বছর দুর্ভোগ পোহাচ্ছে প্রায় ১০০ পরিবার। এ সব ভোগান্তির বিষয়ে এলাকাবাসী ২৫ জুন পৌর মেয়র আব্দুর রশিদ মিয়া বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।
লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায় ঘাটাইল পৌর এলাকার ৮/৯ ওয়ার্ডের শ্যামলী এলাকায় ৫শ মিটার পাকা রাস্তার জন্য প্রায় ১শ পরিবার পৌর সভার সেবা থেকে বঞ্চিত রয়েছে । ক শ্রেনীর পৌর সভা হলেও রাস্তাঘাট না থাকায় তারা দামী দামী বাসা বাড়ি তৈরী করেও কোন সুবিধা পাচ্ছেন না। অর্থাৎ সেবার মানের দিক দিয়ে পিছিয়ে রয়েছে । একটু বৃষ্টিতে রাস্তা তলিয়ে যায় সৃষ্টি হয় জলাবদ্বতা।এমনকি বর্ষা মাসে কোমড় পানি ভেঙে যাতায়াত করতে হয়। ফলে স্কুল কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা তাদের বিদ্যালয়ে যাতায়াত অসুবিধার সম্মুখীন হয়।সময় মতো ক্লাশএবং পরিক্ষার হলে যেতে পারে না।
সরজমিন গিয়ে জানা যায় আশে পাশে ঝোপ ঝাড় থাকার কারনে বাতির ব্যবস্হা না থাকায় রাতের আধারে বিষধর সাপের উপদ্রপে এলাকা বাসী ভয়ে তটস্ত হয়ে থাকে। মুমুর্ষ কোন রোগী চিকিৎসার প্রয়োজন হলে রাস্তার বেহাল অবস্থার কারনে উন্নত চিকিৎসা দিতে বাধা সৃষ্টি হয় ফলে ঘটে যেতে পারে দুর্ঘটানা। একটু এগুতেই দেখা যায় মুরগী হাটির উত্তর এলাকায় নালার পচা দূর গন্ধ পানি নিষ্কাশনের অভাবে রাস্তার উপর দিয়ে গড়াচ্ছে। পাশেই ময়লা আবর্জনার স্তুপের গন্ধে রাস্তায় চলাচলের বিঘ্ন ঘটলেও যেন দেখার কেউ নেই।
স্কুল শিক্ষক সীমা বেগম জানান আমি অনেক বার পৌরসভায় গিয়ে রাস্তার বিষয়ে জানিয়েছি তাতে কোন লাভ হয়নি।
পাশেই বসবাসকারী পল্লী চিকিৎসক জুয়েল জানান রাস্তা পাকা না থাকায় আমরা অনেক সমস্যায় পড়েছি। কিন্তু বার বার কর্তৃপক্ষকে জানিয়েও কোন লাভ হয়নি। মোঃ রাসেল মিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে রাস্তার বিষয়ে জানান ঘাটাইল পৌর সভা “ক” শ্রেনী হলেও সেবার মান একদম নিম্নমানের। যার ভোগান্তি আমরা হারে হারে টের পাচ্ছি।
৯নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোঃ শহিদুল ইসলাম জানান বিষয়টি আমি জানি বরাদ্দ না থাকাতে রাস্তাটা করে দিতে পারছিনা ।
পৌর সভার রাস্তার বেহাল দশার বিষয়ে পৌর মেয়র আব্দুর রশিদ মিয়া জানান আমি বিষটি শুনেছি। তবে সাথে সাথে কাজ করে দেওয়া যাবে না সময় সাপেক্ষে রাস্তার কাজ ধরতে হবে।




