হাইব্রিড মডেলের সুবাদে যেভাবে দ্বিগুণ লাভ করছে পাকিস্তান

স্পোর্টস ডেস্ক: হাইব্রিড মডেল নিয়ে আলোচনায় বেশ একটা বড় সময়ই পার করতে হয়েছে আইসিসিকে। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলতে পাকিস্তানে ভারত খেলতে যেতে রাজি নয়, পাকিস্তানও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ইস্যুতে ছাড় দিতে রাজি না– এমন দোলাচালেই অনেকটা দিন পার করেছে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আয়োজন। তবে শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানও ভারতে খেলতে যাচ্ছে না এমন শর্তে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি হচ্ছে হাইব্রিড মডেলে।

এমন আয়জনের পর পাকিস্তান আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে সেটা মেনে নিয়েই বড় রকমের আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিয়েছে আইসিসি। যদিও ঠিক কী পরিমাণ ক্ষতিপূরণ আইসিসি থেকে পাচ্ছে পাকিস্তান তা এখন পর্যন্ত জানা যায়নি। কিন্তু ক্ষতিপূরণের পাশাপাশি অন্য এক পথ থেকেও বাড়তি আয় নিশ্চিত হয়েছে পাকিস্তানের। ভারতের সব ম্যাচ দুবাইয়ে হবে। সেখান থেকেই বাড়তি আয় হবে পিসিবির।

গ্রুপ পর্বে ভারতের তিনটি খেলা দুবাইয়ে হবে। একটি সেমিফাইনালও সেখানে হবে। ভারত যদি ফাইনালে ওঠে তা হলে সেই খেলাও দুবাইয়েই হবে। পাকিস্তানের গণমাধ্যমের খবর, দুবাইয়ের মাঠে টিকিট বিক্রির ৫০ শতাংশ টাকা তারা পাবেন। আমিরাত ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে এই চুক্তি শেষ পর্যায়ে রয়েছে। দুবাই ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ২৫ হাজারের বেশি দর্শকাসন রয়েছে। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ তো বটেই, ভারতের বাকি ম্যাচেও সব টিকিট বিক্রি হয়ে যাবে এমন প্রত্যাশাই করছেন সকলে। আর টিকিট বিক্রির অর্ধেক টাকা পাকিস্তান বোর্ড পাবে।

ভারতের আপত্তির পরে এক সময় চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আয়োজন ঘিরে সংশয় দেখা দিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত সেই সমস্যা মিটেছে আইসিসির প্রস্তাব অনুযায়ী ‘হাইব্রিড’ মডেল মেনে নেয়ার ফলে। অর্থাৎ, ভারত সে দেশে খেলবে না। বাকি দলগুলি পাকিস্তানেই খেলবে। অবশ্য পরবর্তীতে ভারতে আইসিসি প্রতিযোগিতা হলে পাকিস্তানও খেলতে আসবে না। তারাও নিরপেক্ষ দেশে খেলবে বলে জানিয়ে দিয়েছে আইসিসি।

ভারত খেলতে না যাওয়ায় ক্ষতিপূরণ পেয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। তবে তারা প্রতিযোগিতার আয়োজক স্বত্ত্ব পাচ্ছে এখনই। দুবাইয়েও ম্যাচের আয়োজন তাদেরই করতে হবে। মূলত সেকারণেই আইসিসি আলাদা করে অর্থ দিচ্ছে পাকিস্তানকে। এ বারে টিকিট বিক্রি থেকেও বাড়তি অর্থ নিশ্চিত হচ্ছে পাকিস্তানের।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button