শিক্ষক নিয়োগে প্রশ্ন ফাঁস ও জালিয়াতি

শিবিরের উদ্বেগ, সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক | ১২ জানুয়ারি ২০২৬

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ডিজিটাল জালিয়াতি ও প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। সংগঠনের পক্ষ থেকে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।

গত রোববার (১১ জানুয়ারি) এক যৌথ বিবৃতিতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম এবং সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বিবৃতিতে তারা গত ৯ জানুয়ারির পরীক্ষায় দেশজুড়ে সংঘটিত জালিয়াতির চিত্র তুলে ধরেন।

বিবৃতিতে দেশের বিভিন্ন জেলায় জালিয়াতির দায়ে আটকের পরিসংখ্যান উল্লেখ করা হয়:

গাইবান্ধা: ৫২ জন গ্রেপ্তার। দিনাজপুর: ১৬ জন। কুড়িগ্রাম ও ঠাকুরগাঁও: ১১ জন করে। নওগাঁ: ৯ জন। টাঙ্গাইল: ৫ জন এবং অন্যান্য জেলায় আরও অনেকে।

১. রাষ্ট্রীয় সম্পৃক্ততার অভিযোগ: গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের বরাতে নেতৃবৃন্দ জানান, প্রশ্ন ফাঁস চক্রের সাথে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের একজন বিশেষ সহকারী পদমর্যাদার ব্যক্তির গাড়িচালকের সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ২. মেধাবীদের বঞ্চনা: বারবার প্রশ্ন ফাঁসের ফলে প্রকৃত মেধাবীরা বঞ্চিত হচ্ছে এবং অযোগ্যরা সুবিধা পাচ্ছে, যা জাতির ভবিষ্যতের জন্য হুমকিস্বরূপ। ৩. কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতা: প্রশ্নপত্র ফাঁসরোধে সরকারি কর্ম কমিশন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতাকে দায়ি করেন তারা।

রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে জালিয়াতি চক্রের সবাইকে দ্রুত গ্রেপ্তার ও শাস্তি নিশ্চিত করা।

নিয়োগ পরীক্ষায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং কর্মকর্তাদের জবাবদিহি নিশ্চিত করা।

প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার ফলাফল পুনর্মূল্যায়ন করা।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button