রমনার ওসি রাহাৎ খানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: রাজধানীর রমনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রাহাৎ খানের বিরুদ্ধে পুলিশ ক্লিয়ারেন্সসহ বিভিন্ন বিষয়ে উত্থাপিত অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, কাল্পনিক এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে জানা গেছে।

মাঠপর্যায়ের বাস্তব চিত্র এবং দাপ্তরিক কার্যপদ্ধতি পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসা এই কর্মকর্তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতেই একটি সুনির্দিষ্ট মহল এমন মনগড়া প্রচার চালাচ্ছে।

অভিযোগে রাজবাড়ীর জনৈক আমির হামজার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নিয়ে যে জালিয়াতির দাবি করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ আইন ও দাপ্তরিক বাস্তবতার পরিপন্থী। পুলিশের কার্যপদ্ধতি অনুযায়ী, যেকোনো ক্লিয়ারেন্স বা ভেরিফিকেশনের জন্য সরাসরি সরজমিনে তদন্ত করার দায়িত্ব নির্দিষ্ট সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) বা অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব-ইন্সপেক্টর (এএসআই)- এর ওপর ন্যস্ত থাকে।

একটি থানার ওসির পক্ষে প্রতিটি নাগরিকের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ব্যক্তিগতভাবে তদন্ত করা বা তথ্য যাচাই করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়।

মাঠপর্যায়ের তদন্ত কর্মকর্তা যে প্রতিবেদন (রিপোর্ট) দাখিল করেন, প্রশাসনিক নিয়ম অনুযায়ী ওসি কেবল তাতেই স্বাক্ষর বা অনুমোদন করেন। ফলে তদন্ত প্রতিবেদনে কোনো ত্রুটি বা অসঙ্গতি থাকলে, তার দায়ভার সম্পূর্ণভাবে সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী কর্মকর্তার ওপর বর্তায়, ওসির ওপর নয়।

মুহাম্মদ রাহাৎ খান পুলিশ বাহিনীতে একজন অত্যন্ত ভদ্র, নম্র এবং জনবান্ধব কর্মকর্তা হিসেবে সুপরিচিত। তার দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি সর্বদা ন্যায়পরায়ণতা ও নিষ্ঠার সাথে অর্পিত দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ক্ষমতার অপব্যবহার বা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সাথে তার কোনো ধরনের সম্পর্ক নেই। বরং সাধারণ মানুষের আইনি অধিকার নিশ্চিত করতে এবং সমাজসেবামূলক কাজে তার অবদান সর্বজনস্বীকৃত।

বর্তমানে ওসি রাহাৎ খানের দক্ষ নেতৃত্বে রমনা থানায় কর্মরত অন্যান্য অফিসার এবং সদস্যরাও অত্যন্ত আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। পুরো থানা টিম এখন যেকোনো ধরনের অহেতুক হয়রানি ও দুর্নীতিমুক্ত। কোনো নিরীহ বা সাধারণ মানুষ যেন বিনা কারণে আইনি জটিলতায় না পড়েন, সে ব্যাপারে রমনা থানা পুলিশ অত্যন্ত সতর্ক ও শক্ত অবস্থানে রয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রশাসনের একজন সৎ ও কর্মঠ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই কেবল ব্যক্তিগত বা কুচক্রী মহলের প্রতিহিংসা থেকে এ ধরনের মিথ্যা প্রচারণা চালানো হচ্ছে। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং সৎ কর্মকর্তাদের মনোবল ধরে রাখতে এ ধরনের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া এবং জনগণকে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন মহল।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button