সোহানের ৩৫ বলে সেঞ্চুরিতে জিতল বাংলাদেশ

ডেস্ক রিপোর্ট: হাবিবুর রহমান সোহানের বিধ্বংসী শতকে এশিয়া কাপ রাইজিং স্টার্সে হংকংকে আট উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ। হংকংয়ের দেওয়া ১৬৮ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৯ ওভার ও আট উইকেট হাতে রেখেই ম্যাচ জিতে নেয় টাইগাররা।

হংকং জাতীয় দলের বিপক্ষে রান তাড়া করতে নেমে ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন সোহান। এক সময় মনে হচ্ছিল স্বীকৃত টি-টোয়েন্টির দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড ভেঙেই দেবেন বাংলাদেশ ‘এ’ দলের এ ওপেনার। কিন্তু জিসানের বিদায়ের পর কিছুটা ধীর হয়ে আসে তার ব্যাটিং। তারপরও রেকর্ডবুকে ঠিকই জায়গা করে নিয়েছেন সোহান। বাংলাদেশিদের মধ্যে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েছেন এ ব্যাটার।

রান তাড়ায় নেমে ঝড় তোলেন সোহান। মাত্র ১৪ বলে পূর্ণ করেন অর্ধশতক। স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে এর চেয়ে কম বলে অর্ধশতক নেই বাংলাদেশের আর কারোরই। মাত্র ২৫ বলেই ৮৮ রান পূর্ণ করে সোহান একপর্যায়ে ২৭ বলে সাহিল চৌহানের হাঁকানো স্বীকৃত টি-টোয়েন্টির দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড ভেঙে দেওয়ার সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন। তবে জিসান ও জাওয়াদ আবরার আউট হয়ে গেলে কিছুটা গতি হারায় সোহানের ইনিংস।

শতক হাঁকাতে শেষ পর্যন্ত সোহানকে খেলতে হয়েছে ৩৫ বল। সোহানের সেঞ্চুরির পর আর বেশিক্ষণ জয়ের জন্য অপেক্ষা করতে হয়নি বাংলাদেশকে। আকবর ঝড়ে সেই ওভারেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ। কিঞ্চিত শাহ’র করা ১১তম ওভারের শেষ পাঁচ বলেই ছক্কা হাঁকান আকবর। তাতেই জয় নিশ্চিত হয়ে যায় বাংলাদেশের। সোহান ৩৫ বলে ৮ চার ও ১০ ছক্কায় ঠিক ১০০ রানে অপরাজিত থাকেন। আকবর ১৩ বলে ৬ ছক্কায় করেন ৪১ রান।

এর আগে, দোহায় টসে জিতে আগে হংকংকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় বাংলাদেশ ‘এ’ দল। প্রথম ওভারেই ওপেনার জিশান আলিকে ফেরান রিপন মন্ডল। আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে এগিয়েছে ইয়াসিম এবং বাবরের জুটি। ২২ বলে ৪০ রানের টর্নেডো ইনিংস খেলে সাজঘরে ফিরে যান ইয়াসিম। ৪৯ বলে ৬৩ রানের ইনিংস খেলে বিদায় নেন বাবর হায়াত।

শেষ দিকে ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন শিভ মাতুর এবং কিঞ্চিত শাহ। দুজনের টর্নেডো ব্যাটিংয়ে দেড়শ পার করে হংকং। মাতুর খেলেছেন ৮ বলে ১২ রানের ইনিংস। অন্যদিকে ৪ বলে ২০ রানের বিস্ফোরক ইনিংস খেলেন কিঞ্চিত। দুজনেই হয়েছেন রানআউট। নির্ধারিত ২০ ওভারের খেলা শেষে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৬৭ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় হংকং। বাংলাদেশের হয়ে দুটি করে উইকেট শিকার করেছেন রিপন মন্ডল এবং এস এম মেহেরব হোসেন। ১ উইকেট নিয়েছেন আবদুল গাফফার সাকলাইন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button