ক্যান্সারে আক্রান্ত আবীর কুমারকে বাঁচতে এগিয়ে আসুন

মোঃ আব্দুল আলিম, জেলা প্রতিনিধি নাটোর: মরণব্যাধি ক্যান্সার আক্রান্ত আবীর কুমারকে বাঁচতে এগিয়ে আসুন আহ্বান জানিয়ে সহযোগিতা চাইলেন আবীর কুমারের পরিবার।

হতদরিদ্র এই পরিবারটির বসবাস গুরুদাসপুর উপজেলার মশিন্দা ইউনিয়নে ৪ নং ওয়ার্ডে। আবীর কুমারের পিতা  শ্রী সুনজ কুমার সরকার, মাতা শীখা,  তাদের  এক মাএ সন্তান এই  আবীর কুমার। তার বয়স নয়  বছর। লেখাপড়া করছে ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে। আবীর কুমারের বাবা পেশায় মোটরসাইকেল মিস্ত্রি। ভালোই চলছিল সুজনের পরিবার। হঠাৎ করে  তার একমাত্র সন্তান আবীরের গলার ঘাড়ের নিচে বামদিকে একটি ফোড়া হয়। এমন অবস্থায় এলাকায় চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসা চলছিল। গ্রামের চিকিৎসকের চিকিৎসায় কোন উপকার না পেয়ে আবিরের বাবা গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসে চিকিৎসা নেন। সেখানে দায়িত্বে থাকার চিকিৎসক আবীরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য  রাজশাহীতে পাঠান। তারপরে রাজশাহী সদরের চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে কিছুটা সুস্থ হয় আবীর। কিন্তু ফোড়া যন্ত্রণা থেকে যায়। এরপর অন্য একজন চিকিৎসকের পরামর্শে ছেলের চিকিৎসার ঢাকার লিবার্টি হসপিটালে নিয়ে যায় বাবা সুজন সরকার । সেখানে তিন মাস চিকিৎসা নেওয়ার পরও ভালো আবিরের অবস্থার অবনতি হয়। পরে ঢাকা পিজি  হাসপাতালের আবীরকে নিয়ে যাওয়া হয় সেখানেই অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানতে পারেন আবির ক্যান্সারে আক্রান্ত।

এরপর থেকে সুজন তার সন্তান, পরিবার ও সবকিছু নিয়ে হতাশা নিয়ে জীবন যাপন করছে। একদিকে ছেলের চিকিৎসার খরচ অন্যদিকে পরিবারের সংসার চালানোর খরচ সবমিলিয়ে হিমশিম খায় সুজন।

আবীর আমি বাঁচতে চাই। আবীর লেখাপড়া করতে আবীরবন্ধুদের সঙ্গে খেলতে চাই। এমন কথা শুনে তার মা শিখা সরকার চোখের জলে বুকভিজেয়ে বলেন, একমাত্র সন্তানকে বাঁচাতে সকলের কাছে আর্থিক সহযোগিতা  চান। বর্তমানে আবীর সরকার  এনায়েতপুর  হসপিটালের চিকিৎসাধীন রয়েছেন।  তাই  দেশের সকল মানুষের কাছে এবং প্রবাসী সকল ভাই-বোনদের কাছে  আর্থিক সহযোগিতা  চেয়েছেন। আবীরের বাবা সুজন সরকার বলেন, যদি কোন মহৎ সহৃদয়বান ব্যক্তি আর্থিক সহযোগিতায় বাঁচতে পারে একমাত্র ছেলে।

সকল মানবতার ফেরিওয়ালাদের কাছে  আবীরকে বাঁচাতে এগিয়ে আসতে বিশেষভাবে অনুরোধ করেছেন আবীরের পরিবার।

আর্থিক সহযোগিতা পাঠানে পারেন

বিকাশ: ০১৩১২-২৪৩৭২০ অথবা ০১৭৭১-৫০৬৩৬৩।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button